02/17/2026
আলামিনের গল্পটা শুরু হয়েছিল এক রাতে পরিচয় থেকে। চার মাস আগে, এক টিকিট আইডির মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল রিয়ার সঙ্গে। প্রথমে শুধু হালকা কথা, তারপর প্রতিদিনের “খেয়েছো?”, “ঘুমিয়েছো?”—এভাবেই অল্প সময়ের মধ্যে দু’জনের জীবন একে অপরকে ঘিরে ফেলেছিল।
আলামিন ছিল একটু চুপচাপ স্বভাবের। কিন্তু রিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় সে বদলে যেত। নীলার হাসি, ছোট ছোট রাগ, হঠাৎ করে অভিমান—সবকিছুই আলামিনের কাছে বিশেষ ছিল। চার মাস খুব বেশি সময় নয়, কিন্তু প্রতিটা দিন তারা এমনভাবে কাটিয়েছে যেন অনেক বছরের সম্পর্ক।
সমস্যাটা শুরু হয় ভুল বোঝাবুঝি থেকে। রিয়া চেয়েছিল আলামিন আরও সময় দিক, আরও প্রকাশ করুক তার অনুভূতি। আলামিন ভালোবাসত, কিন্তু সে কথায় কম, কাজে বেশি বিশ্বাস করত। রিয়া ভাবতে শুরু করল—হয়তো আলামিন আগের মতো আর ভালোবাসে না। আর আলামিন বুঝতে পারছিল না কীভাবে নিজের অনুভূতিগুলো ঠিকভাবে বোঝাবে।
একদিন ছোট্ট একটা ঝগড়া বড় হয়ে গেল। দু’জনেই চুপ হয়ে গেল কয়েকদিন। তারপর রিয়া বলল, “আমরা হয়তো একে অপরের জন্য ঠিক না।” কথাটা শুনে আলামিনের ভেতরটা ভেঙে গিয়েছিল, কিন্তু সে শুধু বলেছিল, “তুমি ভালো থাকলেই আমি খুশি।”
ব্রেকআপের পর আলামিন অনেক রাত জেগে থাকত। পুরনো চ্যাট পড়ত, ছবি দেখত। চার মাসের স্মৃতিগুলো মাথায় ঘুরত। সে বুঝতে পারল, ভালোবাসা শুধু অনুভূতি নয়—যোগাযোগও দরকার। না বললে, না বোঝালে, সম্পর্ক ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়।
সময় গড়াতে গড়াতে আলামিন নিজেকে সামলাতে শিখল। সে নিজের কাজ আর পরিবারে মন দিল। মাঝে মাঝে রিয়ার কথা মনে পড়লেও সে আর অভিযোগ করে না। কারণ সে জানে, কিছু সম্পর্ক আমাদের শেখানোর জন্য আসে—থাকার জন্য নয়।
এভাবেই চার মাসের একটা সম্পর্ক শেষ হলেও, আলামিনের জীবনে সেটা একটা বড় শিক্ষা হয়ে রইল কিন্তু আজো আগের মতো এখনো ভালোবাসে রিয়াকে আলামিন +রিয়া