03/06/2026
সব উদ্যোক্তাদের বিজনেস সিস্টেম এক রকম হয়না। যেহেতু খরচ অনুযায়ী দাম নির্ধারণ হয়, তাই হতেই পারে একেক জনের আমের কোয়ালিটি ও খরচ অনুযায়ী দাম ভিন্ন ভিন্ন।
শুধু আম কেন, যে কোন পন্যের ক্ষেত্রেই তাই। তাছাড়া প্রকৃত কিছু কারন আমাদের জানা নেই। আম বছরে একবার আসে, আবার সারা বছর আম বাগানের পরিচর্যা করে যা যা খরচ আসে, সেটার তুলনায় আমের দাম খুবই কম।
অথচ বিদেশি ফল অনায়াসে আমরা ৩০০,৪০০, ৬০০ টাকায় কিনেও কোন কথা বলিনা, সারা বছর কিন্তু এগুলো পাওয়া যায় এবেইল এবেইল।
অথচ দামের স্বল্পতার কারনেই রাজশাহীর মাটি আমের ঘাটি হিসেবে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দিন দিন উৎপাদন কমছে। বাগান কে//টে পুকুর খননে ঝুঁকছে আমচাষীরা। আমাদের নিজেদেরই দুইটা বাগান অলরেডি পুকুর হয়ে গেছে। কারন পুকুরে লাভ টা বেশি। ন্যাজ্য দাম নেই এই জনপ্রিয় মৌসুমী ফলের। অথচ কৃষক মূল্য পায়না।
দেশীয় ফল প্রায়ই বিলুপ্ত যেগুলো বিখ্যাত আম, ধিরে ধিরে হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন বাগান তৈরী করতে আগ্রহী এমন নজীর নেই বললেই চলে। যারা ভাবছেন ডা/কা/তি, তাদের বাগান, আম বাগানের খরচ, শ্রমিকের মূল্য, আম নামানোর পেছনে খরচ, ক্যারেটের দাম, কুরিয়ার খরচ বেড়ে যাওয়া, এসব নিয়ে একটু হিসাব মিলালেই সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে দিনশেষে আমের বিজনেসে হিসেবের খাতায় লসের পরিমানই বেশি।
তবে হ্যাঁ মাঠ পর্যায়ের উৎপাদন করা উদ্যোক্তা ছাড়া এই কষ্ট বুঝা কঠিন। কিনে নিয়ে যারা সেল করে তারা হয়তো এই সমস্যা গুলো বুঝবে না। এছাড়া আম পচনশীল, ঝুঁকি পূর্ন কাজ আম নিয়ে বিজনেস করা। আমাদের উদ্যোক্তাদের এই বিষয়গুলো তুলে ধরা উচিৎ।
মাহবুবা আক্তার জাহান বাঁধন
রাজশাহী