01/07/2026
এক বৈঠকে সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত করে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করলেন হাফেজা নাঈমা আক্তার জুলি।
সিলেট সদর উপজেলার মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মোল্লারগাঁও লতিফিয়া ছাদ উদ্দিন হিফযুল কুরআন দাখিল মাদরাসা দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে দুটি বিভাগ চালু রয়েছে—
✅ হিফয বিভাগ
✅ আলিয়া বিভাগ
উভয় বিভাগে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। এর মধ্যে হিফয বিভাগে অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রী কুরআনে হাফেজ হওয়ার লক্ষ্যে অধ্যয়ন করছে।
১১ই মহররম ১৪৪৮ হিজরি, মোতাবেক ২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, হিফয বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী হাফেজা নাঈমা আক্তার জুলি এক অসাধারণ কৃতিত্বের নজির স্থাপন করেন। সেদিন সকাল ৫টা ৩৮ মিনিটে পবিত্র কুরআনুল কারিমের খতম (দাওরা) শুরু করে বিরতিসহ বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে সূরা আন-নাস তিলাওয়াতের মাধ্যমে সম্পূর্ণ কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত শেষ করেন। এভাবে তিনি টানা ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে এক বৈঠকে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ তিলাওয়াত সম্পন্ন করেন।
অত্র মাদরাসার সুপার হাফিজ মাওলানা আশরাফুল হক চৌধুরী-এর নিকট এক বৈঠকে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ মুখস্থ শুনিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রাখেন। এটি জুলির জীবনের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর আগে তিনি মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষক হাফিজ হাবিবুল্লাহ, হাফিজ নুরুল আলম এবং হাফিজ মাওলানা খালেদ আহমদ-এর নিকট আরও পাঁচটি দাওরা সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন।
জুলির এই অসাধারণ অর্জনে তাঁর মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, উস্তাদবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী হযরত মাওলানা মো. ছাদ উদ্দিন বলেন, জুলির এ কৃতিত্বে পরিবার, প্রতিষ্ঠান এবং পুরো এলাকার মুখ উজ্জ্বল হয়েছে।
বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ, সিলেট সদর উপজেলার সভাপতি ও সিরাজুল ইসলাম আলিম মাদরাসার স্বনামধন্য উপাধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারী নুরুল হক সাহেব বলেন,
হাফেজা নাঈমা আক্তার জুলির এ অনন্য কৃতিত্ব প্রশংসনীয়। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
এক বিবৃতিতে মাদরাসার সুপার হাফিজ মাওলানা আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, হাফেজা নাঈমা আক্তার জুলি সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোল্লারগাঁও গ্রামের