Cafe Nur Restaurant & Catering

Cafe Nur Restaurant & Catering 11/6/A/1,mirbag notun rastha(rampura-hatirjil sonjog sarok)dhaka -1217. Mbl-01930434343,
01932434343

07/01/2026

"কী ভীষণ বিভ্রমের মাঝে আমাদের বসবাস! আমরা ভেবে নিই, এত বড় পৃথিবীতে আমাদের কোনো বিকল্প নেই। আমরা বোধহয় অক্সিজেনের মত। আমরা চলে গেলে কারো কারো নিঃশ্বাস আটকে যাবে, পৃথিবীটা থেমে যাবে চিরতরে।

অথচ শেষমেশ কিছুই থেমে যায় না। একটু থমকে যায় হয়তো। তারপর সব ঠিকঠাক। সবাই সবকিছু সামলে নেয়, গুছিয়ে নেয়। তারপর আমাদের ছাড়াই সবকিছু দিব্যি চলতে থাকে; আগের মতোই কিংবা আগের চেয়েও ভালো!

পৃথিবীটা আজীবনই এমন স্বার্থপর ছিলো। আমরাই অবুঝ রয়ে গেছি। কিংবা বুঝেও না বুঝার ভান করে গেছি প্রতিদিন, প্রতিদিন।"

28/11/2025

r

14/11/2025

"জীবনে REGRET রাইখেন না। যা কিছুই করেন, নিজের সবটুকু দিয়ে কইরেন।

কাউকে ভালোবাসলে উজাড় করে ভালোবাইসেন। একটা পরীক্ষা দিতে গেলে নিজের ১০০% এফোর্ট দিয়েন। এমনকি নিজের জন্য কিছু করতে গেলেও সবটুকু দিয়ে কইরেন, কিছু হাতে রাইখেন না।

নিজের সর্বোচ্চ এফোর্ট দেওয়ার পরেও জীবনে ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। মানুষ আপনাকে হতাশ করবে, ভাগ্য আপনার সাথে প্রতারণা করবে, জীবন আপনারে আনফেয়ার ট্রিটমেন্ট দিবে। কিন্তু তাই বলে নিজের চেষ্টায় ঘাটতি রাখা যাবে না।

একটা পরীক্ষায় ফেল করার পর আপনার যেন মনে না হয়, "ইশ! আরেকটু চেষ্টা করলেই হইতো!"

একটা মানুষকে হারায় ফেলার পর আপনার যেন মনে না হয়, "আরেকটু এফোর্ট দিলেই বোধহয় মানুষটাকে ধরে রাখতে পারতাম!"

এই যে আফসোসের আগুনটা - একদম নরকের মতো পোড়ায়। এই নরকটা আমাদের নিজ হাতে তৈরি। হেলায়, অলসতায়, ভয়ে, সংকোচে যে সময়ের কাজগুলা আমরা সময়ে করি নাই - এই আফসোসের নরকটা তখনই তৈরি হয়ে গেছে।

আমাদের সেটার জন্যই আফসোস হয়, যেটা আমরা সময় থাকতে করতে পারি নাই। জীবনে এমনভাবে সব করতে হবে যেন নিজেকে বলা যায়, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছি। রাতে শান্তিতে ঘুমানোর জন্য অতটুকুই যথেষ্ট।

কারণ দিনশেষে অপ্রাপ্তি নিয়ে ঘুমানো যায়, কিন্তু নিজের কাঠগড়ায় নিজেকে দোষী হিসেবে মেনে নিয়ে ঘুমানো যায় না।"

মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।🙂নগর বাউল জেমস তার আগের ঘরের সন্তানদের খোঁজ অবদি রাখে না অথচ সাম্প্রতিক সময়ে তৃতীয় স্ত্রীর কোল জুড়ে...
25/10/2025

মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।🙂
নগর বাউল জেমস তার আগের ঘরের সন্তানদের
খোঁজ অবদি রাখে না অথচ সাম্প্রতিক সময়ে তৃতীয় স্ত্রীর
কোল জুড়ে পুত্র সন্তার এলে বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে
জেমস বলেন, "বাবা হওয়ার অনুভূতি অসাধারণ, ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে সুস্থ সন্তান দান করেছেন। সবাই মা ও সন্তানের জন্য দোয়া করবেন"। 😐

"সংসারের কারণে সিনেমা ছাড়লাম, সংসারটাই টিকল না": নগর বাউল জেমসের প্রথম স্ত্রী রথি💔

‘আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী’ নির্বাচিত হওয়ার পর ব্যান্ড তারকা জেমসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় রথির। ‘অবুঝ দুটি মন’ মুক্তির বছর দুয়েক আগে, ১৯৯১ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁরা বিয়ে করেন। ইস্কাটনে কিছুদিন থাকার পর, বড় ছেলে দানিশের জন্মের পর, ১৯৯৫ সালে উত্তরায় বসবাস শুরু করেন।

‘অবুঝ দুটি মন’ সে সময়ের বেশ আলোচিত সিনেমা। যত দূর জানি, আপনাকে নিয়ে অনেক পরিচালক ছবি বানাতে চেয়েছিলেন। তারপরও করেননি? নিজেকে একদম আড়াল করে নিয়েছিলেন। কী সেই কারণ ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে রথি বলেন, ‘পুরোপুরি নায়িকা হিসেবে যাত্রা বিয়ের পর। জেমস সরাসরি জানিয়ে দেয়, কোনোভাবেই সিনেমায় অভিনয় করা যাবে না। আমিও ভাবলাম, সংসারে অশান্তি করে সিনেমায় অভিনয় করার কোনো অর্থ হয় না। সংসারটাই করি। জেমস চাইল, আমি যেন মাঝপথে শুটিং বন্ধ করে দিই। এ নিয়ে সংসারে খুব অশান্তি শুরু হলো। এসব নিয়ে প্রায় দিনই শুটিংয়ে যেতে হতো। কোনোভাবেই পারছিলাম না।’

‘অবুঝ দুটি মন’ ছবিটি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনও হয়েছিল। সেখানেও ছিলেন না রথি। বললেন, ‘আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি। কোনোমতে ছবির ডাবিং শেষ করে বাসায় ঢুকে গেছি। এরপর আমি আর কারও সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখিনি। চলচ্চিত্রের কেউ আমার কোনো খোঁজ পায়নি। কিন্তু যেই আমি সংসারের কারণে সিনেমা ছাড়লাম, ২০০৩ সালে সংসারটাও ভেঙে যায়। জেমস বেনজীরকে বিয়ে করে। আমাকে এক কাপড়ে উত্তরার বাসা থেকে বাবার বাড়িতে চলে যেতে হয়।’

সংসার ভেঙে যাওয়ার পর দুই সন্তানকে নিজের কাছে রেখে বড় করতে লাগলেন। বাবার ভূমিকা কেমন ছিল? রথি দাবি করেন, ‘একদম ছিল না। হঠাৎ হঠাৎ মন চাইলে ফোন করত, এরপর আর কোনো যোগাযোগ নেই। অনেক আগে হাই–হ্যালো হতো, এখন তো তাও নেই। ঈদের মতো উৎসবে যেমন খবর নিত না, তেমনি ছেলেমেয়েদের জন্মদিন শুভেচ্ছা পর্যন্ত জানাত না। অথচ আমি শুনেছি, ও সব জায়গায় বলে বেড়ায় সন্তানদের সবকিছু চালায়। এই করোনায় সন্তানদের একটিবার খোঁজ নেয়নি। মেয়েটা কিছুদিন আগে এসএসসি পাস করেছে, ফলাফল বাবাকে হোয়াটসঅ্যাপে জানায়, এসএমএস দেখেছে, কিন্তু কোনো উত্তর দেয়নি। একটা উইশ পর্যন্ত করেনি,’ বললেন রথি।

রথি বললেন, ‘ওই মানুষটাকে বিয়ে করাটাই ছিল আমার জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত। ভুল মানুষকে পছন্দ করেছিলাম বলে আমার সন্তানদের এভাবে বাঁচতে হচ্ছে। একটা সুন্দর সংসারের আশায় সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্রজগৎও ছেড়ে দিতে পিছপা হইনি। অথচ সেই মানুষটা আমাকে না জানিয়েই ২০০২ সালে আরেকটা বিয়ে করে। আমি এত বছর দুই সন্তান নিয়ে কষ্ট করেছি। জীবনের ওপর দিয়ে অনেক ঝড় বয়ে গেছে। একবারের জন্যও কোনো দিন ওকে ফোন করে বলিনি, ছেলেমেয়ের এটা-ওটা দরকার। আমার পরিবারই আমার পাশে ছিল, তারা যদি পাশে না থাকত, আমাকে রাস্তায় নামতে হতো।’

মানুষের জীবনে বড়ো একটা লস কী, জানেন?‎‎জীবন থেকে এমন কাউকে হারিয়ে ফেলা, যে-মানুষটাকে একদিন আপনি তীব্রভাবে ভালোবাসতেন।‎‎তব...
24/10/2025

মানুষের জীবনে বড়ো একটা লস কী, জানেন?

‎জীবন থেকে এমন কাউকে হারিয়ে ফেলা, যে-মানুষটাকে একদিন আপনি তীব্রভাবে ভালোবাসতেন।

‎তবে আপনার জীবনে তার চেয়েও হাজারগুণ বড়ো লস কোনটা, জানেন? জীবন থেকে এমন কাউকে হারিয়ে ফেলা, যে-মানুষটা আপনাকে নিখুঁতভাবে ভালোবাসত।

‎যেদিন বুঝবেন, আপনাকে আদুরে বেড়ালের মতন স্নেহে-আদরে যে-মানুষটা তীব্র মমতায় ভালোবাসত, সে আপনাকে আর ভালোবাসে না, সেদিন বুকে চিনচিন ব্যথা করবে, ঘুমোতে গিয়ে রোজ মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যাবে।

‎আপনি ভালোবাসেন, এমন কাউকে হারিয়েছেন, তার জন্য নয়; বরং আপনাকে ভালোবাসত, এমন কাউকে হারিয়েছেন, এই আফসোসে আপনি সেদিন কাতরাবেন। আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার প্রতি আপনার মুগ্ধতা একদিন শুকনো নদীর মতন শুকিয়ে যাবে, কিন্তু আপনাকে ভালোবাসত, এমন একটা মানুষকে হারানোর আফসোসে আজীবন আপনার বুকের ভেতর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ছাড়াই জ্বালাপোড়া করবে।

‎পৃথিবীতে এমন হাজারো মানুষ আপনার জীবনে আসবে যাবে, যাদেরকে আপনি তীব্রভাবে ভালোবাসবেন, আবার ভুলেও যাবেন। কিন্তু আপনাকে তীব্রভাবে ভালোবাসবে, এমন মানুষ আপনার গোটা জীবনে বড়োজোর এক-দুই জন পাবেন; বেশিরভাগ সময়ই, এক জন‌ও পাবেন না।

‎বাড়ি হারালে নতুন বাড়ি কিনতে পারবেন, গাড়ি ভাঙলে জোড়া লাগাতে পারবেন, জমি বেচে-কিনে বা হাত বদলে হাজার হাজার জমির মালিকও হতে পারবেন, কিন্তু শখের মানুষটাকে একবার হারালে তেমন শখের মানুষ আর কখনোই খুঁজে পাবেন না।

‎আপনার পথ চেয়ে কুকুরের মতন যে-মানুষটা অপেক্ষা করত, সে এখনও অপেক্ষা করে, তবে আপনার জন্য নয়।‌ আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে যে-মানুষটা মরে যেতেও দ্বিধা করত না, সে এখনও মরে যেতে দ্বিধা করে না, তবে তা আপনার জন্য নয়। আপনার বুকে মাথা রেখে যে-মানুষটা হাজার বছর বাঁচতে চাইত, সে এখনও বাঁচতে চায়, তবে আপনার বুকে মাথা রেখে নয়।

‎এই যে এমন নিখুঁত একটা মানুষ হেলায় হারিয়ে ফেললেন, এর ক্ষতিপূরণ পুরো জীবনটাই দিয়ে দিলেও হয় না।

‎মানুষ তার ভালোবাসার মানুষটাকে পেতে তীব্র জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া হরিণছানার মতন নদীর পাড়ে আটকে গিয়ে খড়কুটো আঁকড়ে ধরে হলেও কোনোমতে থেকে যেতে চায়।

‎কিন্তু সে ভেসে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই, আপনি তাকে এক বারও ধরে আটকালেন না, হাতে ধরে জোয়ারের পানি থেকে টেনে পাড়ে তুললেন না। মনে করলেন, সে তো থাকতেই চায়, আটকাতে চায়, তাই সে কোনো না কোনোভাবে ঠিক‌ই আটকে থাকবে।

‎অথচ একদিন রোদজ্বলা মিষ্টি ভোরে ঘুম ভেঙে জেগে দেখলেন, ঝড় থেমে গেছে, জোয়ার নেমে গেছে, কিন্তু কিনারায় আটকে থাকতে চাওয়া মানুষটা আর নেই, জোয়ারে ভেসে গেছে অন্য কোনো নদীতে অথবা ভিন্ন কোনো সাগরে। অনেকসময় মানুষ নিজে সরে না গেলেও, আটকে রাখতে না জানলে, ঝড় তাকে ঠিক‌ই সরিয়ে নিয়ে যায়।

‎আপনি তাকে ছুঁয়ে দেখবেন, তার কাছ ঘেঁষে তাকে গিয়ে বলবেন, আমাকে একটু মাথায় হাত বুলিয়ে দাও। দেখবেন, মানুষটার ছোঁয়ায়, মায়ায় কিংবা কায়ায় কোথাও আপনি নেই।

‎ঠিক এই জায়গাটায় আপনার বড়ো পরাজয়, বড়ো লসটা হয়ে গেল।

‎মানুষটা আছে, অথচ মানুষটা নেই।

‎এই যে হারিয়ে ফেললেন, একদিন দেখবেন, মানুষের ভারে নুয়ে-পড়া দুনিয়াটাকে আপনার কাছে মানুষশূন্য মরুভূমি মনে হবে।

‎হাজার-কোটি মানুষ আছে চারিদিকে, অথচ আপনার কোনো মানুষ নেই। আপনাকে পায়, এমন হাজারো মানুষ আছে; অথচ আপনি পান, এমন মানুষ এক জনও নেই।

‎এমন ভয়ানক ক্ষতির সারাটা জীবনেও কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না, এমন সুজন হারানোর পর তার অলটারনেটিভ কোনো পরিপূরক হয় না।

‎হয় না, হয় না, সত্যিই হয় না। একবার হারিয়ে দেখুন, খুব স্পষ্ট করে সব বুঝে যাবেন।

‎তাই সময় থাকতে প্রকৃত মানুষের মূল্যায়ন করুতে শিখুন...

#সংগৃহীত

18/10/2025

"আমি দুই মাসের মাথায় মানুষকে বদলাতে দেখেছি, আবার ছয় বছর পর মানুষের মুখোশ খুলে যেতে দেখেছি। দীর্ঘ ১২ বছর পর আমি খুব চেনা মানুষটাকে অচেনা হয়ে যেতে দেখেছি।

ঠিক কত দিন ধরে দেখলে, বুঝলে, জানলে, মিশলে সত্যি সত্যি একটা মানুষকে চেনা যায়? কত দিন, কত মাস, কত বছর?

উত্তরটা হলোঃ কখনোই না।

জীবনের একটা পয়েন্টে এসে আপনি বুঝবেন, আপনার পক্ষে আদৌ কোনো মানুষকে চেনা সম্ভব না। আপনি কখনোই অনুমানও করতে পারবেন না সে কখন বদলাবে। আপনি সারা জীবনেও টের পাবেন না সে তার ভেতরে কত কিছু লুকিয়ে রেখেছে।

আপনার চয়েজ আসলে দুইটাঃ বিশ্বাস করা অথবা অবিশ্বাস করা।

বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মাঝামাঝি থাকে সন্দেহ। এই সন্দেহ নিয়ে আপনি কোনোদিন ভালো থাকবেন না। অযথা রাতের ঘুম হারাম হবে, মানসিক শান্তিটুকু নষ্ট হবে। সন্দেহ পুষে রেখে জীবনে কেউ কোনোদিন ভালো থাকে নাই।

অবিশ্বাসও করতে পারেন। মানবজাতির উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাইতে পারে। আপনি কাউকে বিশ্বাস করেন না - সেটাও এক রকম শান্তি। সেখানেও কোনো কনফিউশন নাই।

আর যদি অবিশ্বাস করতে না চান, তাহলে একদম মন থেকে মানুষকে বিশ্বাস করেন। চোখকান খোলা রেখেই করেন। কিন্তু মনে সন্দেহ রাইখেন না।

প্রশ্ন করেন, ভেতরের খচখচানি দূর করেন, ক্ল্যারিটি মেইনটেইন করেন। দেখবেন, মানুষকে বিশ্বাস করা খুব কঠিনও না।

মানুষের বদলে যাওয়া আপনি ঠেকাতে পারবেন না। অনেক সময় নিয়েও মানুষকে আপনি চিনতে পারবেন না। তাই দিনশেষে নিজের মনটাকে খুব সহজ আর পরিষ্কার রাখেন। কোনো খচখচানি রাইখেন না।

একদিন মন ভেঙে গেলে, যাক। একদিন মন ভাঙার আশঙ্কায় প্রতিদিন মনটাকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানে হয়? কোনো মানে হয় না!"

07/10/2025

"ইরানি সিনেমা Taste of Cherry এর একটা বাক্য সারাদিন মাথার ভেতর ঘুরছে।

"You can comprehend my pain. But you can NOT feel it."

সিনেমার মূল চরিত্র 'বাদি' সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সে তার জীবনটা নিজেই শেষ করে দিবে। রাস্তায় রাস্তায় সে এমন কাউকে খুঁজছিলো, শেষ নিঃশ্বাসটুকু ফেলার পর যে মানুষটা তাকে শুধু মাটি দিবে।

বাদির সাথে পথে অনেকগুলো মানুষের দেখা হয়। কিন্তু কেউই তাকে মাটি দিতে রাজি হয় না। এদের মধ্যে কেউ ঘাবড়ে যাচ্ছিলো, কেউ বাদিকে বুঝাচ্ছিলো। তখনই বাদি বলেছিলো, তোমরা আমার কষ্টটা হয়তো বুঝতে পারো, কিন্তু কেউই কষ্টটা অনুভব করতে পারো না।

ব্যথায় যখন বুকটা যখন ভারী হয়ে আসে, আমরা বলি, বুকে ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। সবাই বুঝে যে যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু ঠিক কতটা যন্ত্রণায় কুকড়ে যাচ্ছি - কেউ কি টের পায়? একটুও টের পায়?

যারা বলে, "আমি তোমার কষ্টটা অনুভব করতে পারি", তারা মিথ্যা বলে যায়। কারণ ঠিক কিসের ভেতর দিয়ে আমি গিয়েছি, তা আমি বাদে এই দুনিয়ার আর কেউ অনুভব কর‍তে পারে না।

দিনশেষে কষ্টের চেয়ে একান্ত ব্যক্তিগত কিছু এই পৃথিবীতে নেই। চাইলেও কেউ সেই কষ্টের স্বাদ নিতে পারে না, ভাগ নিতে পারে না।

বুকের ভেতর নিজস্ব কষ্টের সাথে যে তুমুল যুদ্ধ চলে, তাতে কোনো সহযোদ্ধা থাকে না, কখনো থাকবেও না।"

05/10/2025

"পৃথিবীর নিয়ম মেনে চলেছি অনেক অনেক দিন। পৃথিবী বলতো, সময় নেও, সময় নিয়েই নাকি মানুষ চেনা যায়। আমিও সময় নিয়েছিলাম, কিন্তু দিনশেষে মানুষ চিনতে পারি নাই।

নিয়মের খাতায় লেখা ছিলো, কারো জন্য নিজেকে একদম উজাড় করে দিতে নেই। কাউকে চোখ বুজে বিশ্বাস করা ভীষণ বোকামি। কারো জন্য আবেগে ভেসে গেলে মাঝসমুদ্র থেকে আর ফেরার পথ থাকে না।

সব নিয়ম মেনেও শেষমেশ আমি ডুবে গেছি বারবার। সব নিয়ম মেনেও আমার ভালোবাসা হেরে গেছে রোজ।

একরাশ অভিমান নিয়ে পৃথিবীকে আর তার মানুষগুলোকে যখন প্রশ্ন করেছিলাম, কোনো উত্তর মেলে নি। আমিও সেদিন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি।

এবার আমি নিজেকে উজাড় করে দিয়ে ভালোবাসবো। বুকপকেটের সব ক'টা খুচরো পয়সা হাতড়ে নিয়ে যেমন করে সন্তানের বায়না মেটায় বাবা, অতটাই দিয়ে দিবো নিজেকে।
শেষ বেলায় আমি যাযাবর হয়ে যাবো, ওটাই আমার নিয়তি।

পোস্টটা ছিলো, ''আমার বুকের ভেতর যে চঞ্চল পাখিটা অনবরত ডানা ঝাপটাতো, সেটা মরে গেছে!"সেখানে একজনের কমেন্ট ছিলো, "যার সামনে...
25/09/2025

পোস্টটা ছিলো, ''আমার বুকের ভেতর যে চঞ্চল পাখিটা অনবরত ডানা ঝাপটাতো, সেটা মরে গেছে!"

সেখানে একজনের কমেন্ট ছিলো, "যার সামনেই সবচেয়ে বেশি ডানা ঝাপটাতাম, সে-ই শেষ করে দিয়েছে"।

কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে গেলাম! আমরা প্রিয় মানুষ এর জন্যই আকাশে উড়ি। তারপর সে মানুষ টা আমাদের এমন ভাবে কষ্ট দেয়, যে ওড়া তো দূরে থাক, আমরা একদম চুপচাপ হয়ে যাই। কাউকেই আর কিচ্ছু বলিনা 💔

14/09/2025

"একসময় ভাবতাম, মানুষকে মুগ্ধ করতে পারলেই বোধহয় সে একদিন আমাকে ভালোবাসবে। খোদার অশেষ কৃপায় মুগ্ধ করার সেই ক্ষমতাও একটু আধটু পেয়েছিলাম।

তারপর ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে দেখলাম, মুগ্ধতাও একদিন ফুরিয়ে যায়। আর মুগ্ধতা ফুরালে মানুষও আর থাকে না।

কেউ ভালোবাসার অভিনয় করতো, আমি বোকার মতো সেই সুনিপুণ অভিনয় গিলে ফেলতাম৷ কেউ ঘোরের মাঝে চিরদিনের প্রতিশ্রুতি দিতো। তার ঘোর কেটে যেতো, অথচ আমি পড়ে থাকতাম মিথ্যে গল্পের মূল চরিত্র হয়ে।

চালাক মানুষগুলো ধাক্কা খেয়ে শিখে যায়। বোকারা কিচ্ছু শিখে না। একবার ধাক্কা খেয়ে তারা ভাবে, বোধহয় মানুষটা ভুল ছিলো। দ্বিতীয়বার ধাক্কা খেয়ে তারা ভাবে, বোধহয় সময়টা ভুল ছিলো। তারপর আবার সে নিজেকে উজাড় করে দেয়। নিজের সবটুকু দিয়ে সে আবার ভালোবাসা পেতে চায়।

বোকারাও অনেক দিন পরে গিয়ে টের পায়, তার নিখাঁদ ভালোবাসা, নির্ভেজাল আবেগ, হাসি, কান্না আর শুদ্ধতম প্রতিশ্রুতির দুই পয়সা দাম কারো কাছে নেই।

একদিন মানুষ সব প্রতিশ্রুতি ভেঙ্গে ফেলে, একদিন সে সমস্ত আবেগ হেসে উড়িয়ে দেয়, একদিন সে সবকিছু ছুঁড়ে ফেলে দেয়; একদিন মানুষ অবলীলায় হেঁটে চলে যায়, ফিরেও তাকায় না।

ভীষণ দেরিতে হলেও একদিন বুঝে গেলাম, এত বিশাল একটা পৃথিবীতে আমাকে কেউ সত্যি সত্যি ভালোবাসে নাই। হয়তো সাময়িক মায়া করেছে। কিন্তু শেষমেশ ভালোবাসে নাই।"

01/09/2025

Address

11/6/A/1, Mirbag Notun Rasta, West Rampura
Dhaka
1217

Telephone

+8801932434343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cafe Nur Restaurant & Catering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Restaurant

Send a message to Cafe Nur Restaurant & Catering:

Shortcuts

Share

Category