Uniworld Agro Ltd.

Call Directions Website Contact the restaurant

Uniworld Agro Ltd. 100% Organic Farm & an EXPORT-IMPORT Company.

🌙 Eid Mubarak 🌙আনন্দ, ভালোবাসা আর সুখে ভরে উঠুক আপনার ঈদের দিন।Stay blessed & stay happy! ✨
20/03/2026

🌙 Eid Mubarak 🌙
আনন্দ, ভালোবাসা আর সুখে ভরে উঠুক আপনার ঈদের দিন।
Stay blessed & stay happy! ✨

কাঁকরোল খাওয়ার উপকারিতাবর্ষা মৌসুমের জনপ্রিয় সবজি কাঁকরোল। রঙিন এই সবজি খেতেও মজা এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। এ ছাড়া বর্ষাকালে...
15/03/2026

কাঁকরোল খাওয়ার উপকারিতা
বর্ষা মৌসুমের জনপ্রিয় সবজি কাঁকরোল। রঙিন এই সবজি খেতেও মজা এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। এ ছাড়া বর্ষাকালে আপনি যদি রোগমুক্ত থাকতে চান, তাহলে প্রতিদিন কাঁকরোল রাখুন পাতে।
কাঁকরোল।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, কাঁকরোল ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভান্ডার। এ ছাড়া এ সবজিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবারও আছে। তাই একাধিক ছোট-বড় রোগ দূরে রাখার কাজে এর জুড়ি মেলা ভার।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক
কাঁকরোলে বিটা ক্যারোটিন থেকে শুরু করে একাধিক উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। আর এ উপাদানগুলো আপনার চোখ ভালো রাখতে সহায়ক। এ ছাড়া নিয়মিত এ সবজি খেলে বয়সজনিত চোখের সমস্যাও এড়িয়ে যাওয়া যাবে।

ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে
আপনার প্রতিদিনের খাবারে কাঁকরোল রাখুন। এ সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, কিন্তু দেহে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দিতে পারে। এতে সুস্থ থাকার পথ প্রশস্ত হবে।

কোলেস্টেরল কমায়
রক্তে জমে থাকা মোমজাতীয় পদার্থ হলো কোলেস্টেরল। রক্তে এ উপাদানের মাত্রা বাড়লে একাধিক জটিল অসুখ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন পাতে রাখুন কাঁকরোল।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কাঁকরোল খেলে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল-এর মাত্রা বহুগুণে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া দূর করে
কাঁকরোলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফোলিক অ্যাসিড। আর এ দুই উপাদান কিন্তু হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বাড়াতে সিদ্ধহস্ত। ফলে নিয়মিত কাঁকরোল খেলে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমবে।

মন ভালো রাখে কাঁকরোল
অত্যধিক চাপের মধ্যে থাকতে থাকতে আমাদের মনে বাসা বাঁধছে দুশ্চিন্তা, উৎকণ্ঠা এবং অবসাদ। আর এ ধরনের মানসিক অসুখ কিন্তু একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। তাই মনের খেয়াল রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে কাঁকরোল। আসলে এতে এমন কিছু উপাদান উপস্থিত রয়েছে, যা মস্তিষ্কে খুশির হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

✉ যোগাযোগের জন্য আমাদের Facebook পেইজ এ সরাসরি টেক্সট
করুন।
📞 কল করুনঃ +8801676887581,+88 01611817824
✉ [email protected]

লাউলাউ বা কদু (বৈজ্ঞানিক নাম: Lagenaria siceraria শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। লাউ এক প্রকার লতানো উদ্ভিদ যা এর ফলের...
01/01/2026

লাউ

লাউ বা কদু (বৈজ্ঞানিক নাম: Lagenaria siceraria শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। লাউ এক প্রকার লতানো উদ্ভিদ যা এর ফলের জন্যে চাষ করা হয়, যা কিনা কাঁচা অবস্থায় সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, আর পরিপক্ব অবস্থায় শুকিয়ে এটি বোতল, পাত্র বা নল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ কারণেই লাউ এর ইংরেজি নাম হয়েছে Bottle gourd। কচি লাউয়ের রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা রঙের শাঁস। লাউ পৃথিবীর অন্যতম পুরনো চাষ হওয়া সবজি, এর জন্ম আফ্রিকায়। লাউ একটি ধ্বনি পরিবর্তিত শব্দ, যার মূল শব্দ 'অলাবু'। লাউকে কোন কোন স্থানে আঞ্চলিক ভাষায় কদু বলা হয়। কচি লাউয়ের রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা রঙের শাঁস। এটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। শুধু লাউ নয়, লাউয়ের বাকল, লতা, এমনকি পাতাও খাওয়া যায়।

চারা তৈরির পদ্ধতি : ছোট ছোট পলিথিন ব্যাগে ১ ভাগ পচা গোবর, ১ ভাগ দোঁআশ মাটি ভালোভাবে মিশিয়ে তাতে হালকা ইউরিয়া মিশ্রিত পানি দিয়ে পাঁচদিন রেখে দিতে হবে। এরপর প্রতি পলিথিনে একটি করে বীজ বপন করতে হবে। বীজ বপনের আগে ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

চাষ প্রণালি: একটি হাফ ড্রামে তিনটি ছিদ্র করতে হবে ১ দশমিক ৫ ইঞ্চি করে। তারপর ছিদ্রের ওপর ইটের সুরকি বসাতে হবে। ২ ভাগ বেলে দো-অাঁশ মাটির সঙ্গে ১ ভাগ গোবর, শূন্য দশমিক ৫ কেজি সরিষার খৈল, ৫ কেজি কচুরিপানা পচা, ৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫ গ্রাম ইউরিয়া একসঙ্গে মিশিয়ে সাতদিন রাখতে হবে। তারপর চারা রোপণ করতে হবে। লাউ গাছ যাতে ঠিকমতো বাইতে পারে সে জন্য একটি মাচার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি কেউ লাউ ছাদের মেঝেতে শুইয়ে দিতে চায় তাহলে নারকেলের ছোবড়া বিছিয়ে তার ওপর শুইয়ে দিতে পারেন। লাউ পানিপ্রিয় গাছ। মাছ-মাংস ধোয়া পানি মাঝে মধ্যে দিলে উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়াও প্রতিদিন সকাল-বিকালে পানি দিতে হবে। কারণ ছাদের গাছে পানি একটু বেশি প্রয়োজন হয়। প্রতিটি হাফ ড্রামে একটি করে চারা রোপণ করা যাবে। লাউয়ের ভালো জাতগুলোর মধ্যে : হাইব্রিড_ মার্টিনা, ডায়না, বর্ষা ও তাফসি। উফশীর মধ্যে_ গ্রিন ডায়মন্ড, বারি লাউ ও ক্ষেত লাউ। এগুলো ছাড়াও বাড়ির ছাদে শিম, পেঁপে, টমেটো, ঢেঁড়শ, পুঁই শাক চাষ করা সম্ভব।

উপকারিতা

পোস্ত দিয়ে লাউয়ের খোসা ভাজা
লাউয়ে প্রচুর জল থাকে, যা দেহের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া জনিত জলশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।
প্রস্রাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয়। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।
এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।
ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী। ডায়েটিং কালেও লাউ ভালো ফল দেয়।
চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পেকে যাওয়ার হার কমায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে লাউয়ের রয়েছে সহায়ক গুণাবলি।

Happy New Year 2026! May this year be kinder, brighter, and better than ever.
31/12/2025

Happy New Year 2026! May this year be kinder, brighter, and better than ever.

12/12/2025
লাল শাকলাল শাক এক প্রকারের শাক বা পাতা সবজি, যার পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এই শাক আগে শুধুমাত্র শীতকালে পাওয়া গেলেও ...
07/12/2025

লাল শাক

লাল শাক এক প্রকারের শাক বা পাতা সবজি, যার পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এই শাক আগে শুধুমাত্র শীতকালে পাওয়া গেলেও বর্তমানে এটি সারাবছরই পাওয়া যায়। এর রং লাল এবং রান্নার পর এটি থেকে লাল রং বের হতে দেখা যায়। এই সবজি ৬"-১২" হয়। গাছের কাণ্ড থেকে ভেঙে নিয়ে আসার পর ভাঙা কাণ্ড হতে পুনরায় নতুন গাছ গজায়।

উপকারিতা
লালশাক দেখতে লালচে - গোলাপি ধরনের হয়ে থাকে। হিমোগ্লোবিনে পূর্ণ এই শাক। আমাদের দেশে অতি পরিচিত শাকগুলোর মধ্যে লালশাক এর তুলনা মেলা ভার। এই লাল শাক আমাদের শরীরে রক্ত তৈরি করে সবচেয়ে বেশি । খাবার চিবাতে পারে এমন শিশুদের জন্য লালশাক ভীষণ উপকারী। কারণ, শিশুদের আয়রন, আয়োডিন দরকার হয় প্রচুর পরিমাণে। আর লালশাক আয়রনের উৎকৃষ্ট উৎস। আস্তে আস্তে শিশুর পেটের ও হজমশক্তির অবস্থা বুঝে পরিমাণ বাড়াতে পারেন। বাড়ন্ত শিশু, পূর্ণ বয়স্কদের জন্যও বয়ে আনে সুফল। অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তশূন্যতা, নিম্ন রক্তচাপ মানে লো - ব্লাড প্রেশার, দুর্বলতা, ক্রমশ শক্তি কমে যাওয়া, ডায়াবেটিস রোগী, অস্টিও আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় লালশাক পালন করে অপরিহার্য ভূমিকা।গর্ভবতী অবস্থা থেকে শিশুর জন্ম ও মাতৃদুগ্ধ পান পর্যন্ত লালশাক ভীষণ জরুরি। তবে এখানেও খেয়াল রাখা দরকার, বেশির ভাগ গর্ভবতী মায়ের প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে। তাই দুপুরে শাক খাওয়াই ভালো। কারণ, ইনটেসটাইন, অর্থাৎ খাবার হজমকারী জরুরি নালিবিশিষ্ট অঙ্গ অধিক রাতে কাজ করে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সচল থাকে বেশি। আর রাতে শাক পরিহার করাই ভালো।মেনোপোজ, মানে মাসিক চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়া। মেনোপোজ হওয়া নারীদের হাড় দুর্বল হয়ে আসে। ত্বক ও চুলে আসে বৈরী ভাব। ভঙ্গুর হতে থাকে নখ। শরীরে দেখা যায় আয়রন ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। লালশাক এ অবস্থায় হতে পারে উপকারী বন্ধু।

25/11/2025

আপনি কি কপি/ফেইক পণ্য কিনে বারবার প্রতারিত হচ্ছেন?
এবার আর নয়!

আমরা Malaysia Market in BD গত ৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক বিউটি ও কসমেটিকস প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছি।
আমরা মালয়েশিয়াতে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল সব ব্র্যান্ডের অফিশিয়াল স্টোর ও অথেন্টিক শপ থেকে সরাসরি পণ্য সংগ্রহ করি।

✨ তাই আমাদের কাছ থেকে কেনা প্রতিটি পণ্য—
✔ ১০০% অরিজিনাল
✔ মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি সংগ্রহকৃত
✔ সেরা কোয়ালিটি গ্যারান্টেড
✔ রিটেইল ও হোলসেল—দুটোই পাওয়া যাচ্ছে

আপনি থাকবেন সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত। 💯

শসাসালাদ ছাড়ও এটি এমনিতেও খাওয়া যায়। অনেকে এর তরকারি খায়। এর ক্যালরি খুব কম। ১০০ গ্রাম শসাতে থাকে ১৩ ক্যালোরি।আসুন এবা...
12/11/2025

শসা

সালাদ ছাড়ও এটি এমনিতেও খাওয়া যায়। অনেকে এর তরকারি খায়। এর ক্যালরি খুব কম। ১০০ গ্রাম শসাতে থাকে ১৩ ক্যালোরি।
আসুন এবার শসা খাওয়ার উপকারিতা দেখে নেওয়া যাক:

১. কথায় বলে ডায়াবেটিস থেকে ডায়েরিয়া সব কিছুর জন্যই শসা অপরিহার্য। প্রচণ্ড গরমে দেহের পানির ভারসাম্য বজায় রাখে শসা। এর ফলে দেহকে সজীব রাখতে শসার কোনও বিকল্প নেই।

২. বদ হজম, অ্যাসিডিটি, অরুচি, গ্যাস্ট্রাইটিস লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের সমস্যা থাকলে শসা খাওয়া উচিত।

৩.আর্থারাইটিস হার্টের রোগ অস্টিওপোরেসিস এবং কনস্টিপেশন প্রতিরোধে শসা ভালো কাজ করে।

৪. বয়স্কদের মধ্যে অ্যালঝেইমার্স ও অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে শসায় থাকা ফিসটিন নামক এক ধরনের আন্টি ইনফ্লামেটরি যৌগ।

৫. এছাড়া কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও অন্যান্য প্রদাহজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে অতিপরিচিত সহজলভ্য এই সবজি।

✉ যোগাযোগের জন্য আমাদের Facebook পেইজ এ সরাসরি টেক্সট
করুন।
📞 কল করুনঃ +8801676887581,+88 01611817824
✉ [email protected]

 #টবে মরিচ চাষ – ছাদে ও বারান্দায় মরিচ চাষ পদ্ধতিআপনার বাসার বারান্দায় বা ছাদে ছোট্ট টবে চাষ করতে পারেন মরিচ। ঘরের এক কো...
12/10/2025

#টবে মরিচ চাষ – ছাদে ও বারান্দায় মরিচ চাষ পদ্ধতি

আপনার বাসার বারান্দায় বা ছাদে ছোট্ট টবে চাষ করতে পারেন মরিচ। ঘরের এক কোনে টবে মরিচের চাষ আপনার গৃহের শোভা বর্ধনের পাশাপাশি পুরন করতে পারে আপনার সারা বছরের মরিচের চাহিদা। কেননা মরিচ আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় খুব অল্প পরিমানেই লাগে আর মাত্র ৫ থেকে ৬ টি টবে মরিচের চারা লাগালে তা দিয়ে দিব্যি সারা বছরেই চলে যাবার কথা। রোদ যুক্ত স্থানে রেখে নিয়মিত অল্প পরিচর্যা করলেই টবে মরিচ চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। এক পলকে দেখে নিন টবে মরিচ চাষ করার কৌশল, গাছ লাগানোর পদ্ধতি ও যত্ন নেয়ার নিয়ম কানুন।

বীজ বা চারা বপনের সময়
মরিচ সাধারনত সারা বছরেই জন্মে তাই বছরের যে কোনো সময়েই আপনি মরিচের চারা লাগাতে পারবেন। তবে মে থেকে জুন অথবা শীতের শুরুতে অক্টোবর মাসে মরিচের বীজ বপন করলে ফলন বেশি হয়।

টব, মাটি ও চারা প্রস্তত করন
মরিচ গাছ খুব বেশি বড় হয়না তাই মাঝারী আকারের টবেই রোপন করতে পারেন। মরিচের জন্য দোআঁশ মাটি উৎকৃষ্ট। টবের আকারের অর্ধেক পরিমান দোআঁশ মাটি আর তার সম পরিমান শুকনো গোবর, দশ গ্রাম পটাশ, দশ গ্রাম টি,এস,পি ও এক চামচ পরিমান ইউরিয়া ভালোভাবে মিশিয়ে টব পূর্ণ করুন। আপনি গোবরের পরিবর্তে কম্পোস্ট সার ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে টবের মাটি প্রস্তুত করে ৮ থেকে ১০ দিন রেখে দিন। আপনি নার্সারি থেকে মরিচের চারা কিনে বা বীজ সংগ্রহ করে টবে লাগাতে পারেন। তবে টবে লাগানোর পূর্বে এর মাটি নিড়ানি দিয়ে নরম করে নিবেন। মরিচের চারা তৈরি করা খুব সহজ। আপনি শুকনো মরিচের বীজ থেকেও চারা তৈরি করে নিতে পারেন। কয়েকটি শুকনো মরিচের বীজ সংগ্রহ করে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর বীজ গুলো পানি থেকে তুলে অল্প শুকিয়ে নিয়ে টবের মাটিতে ছড়িয়ে দিন। কিছুদিন পরেই দেখবেন যে চারা গজিয়ে যাবে।

সার প্রয়োগ
মরিচ গাছের জন্য খুবই উপকারী সার আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন আপনার ঘরেই। প্রতিদিনের রান্না করার জন্য তরিতরকারি কাটার পর উচ্ছিষ্ট খোসা, ছাল, শাক সবজির আবর্জনা ইত্যাদি পচিয়ে জৈব সার বানিয়ে মরিচ গাছের টবে দিলে টবের মাটি উর্বর হবে এবং ফলন অনেক ভালো হবে।

টবের মরিচ গাছের যত্ন
মরিচ গাছে নিয়ম করে পানি দেয়া খুব জরুরী। টবের মাটি কখনই খুব শুকিয়ে যেতে দেয়া যাবেনা। ভালো ফলন পেতে পর্যাপ্ত রোদ আছে এমন জায়গায় মরিচ গাছের টব টাকে স্থাপন করতে হবে। মরিচের টবে পিঁপড়ার আক্রমণ ঠেকাতে টবের চারদিকে হালকা সাবান গুড়ো ছিটিয়ে রাখতে পারেন। মরিচের চারা বাড়ন্ত অবস্থায় টবে একটি কাঠি পুতে গাছের জন্য সাপোর্টের ব্যাবস্থা করুন। ভালো করে যত্ন নিলে একটি টবের মরিচ গাছ থেকে দুই দফায় প্রায় অনেক মরিচ সংগ্রহ করতে পারবেন। সাধারন জাতের মরিচের একটি গাছে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭৫টি মরিচ জন্মানো সম্ভব আর তা থেকে দুই দফায় আপনি প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি মরিচ আহরন করতে পারবেন।

✉ যোগাযোগের জন্য আমাদের Facebook পেইজ এ সরাসরি টেক্সট
করুন।
📞 কল করুনঃ +8801676887581,+88 01611817824
✉ [email protected]

Address

Rupsha Tower, Kamal Ataturk Avenue, Banai
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 11:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801676887581

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uniworld Agro Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Restaurant

Send a message to Uniworld Agro Ltd.:

Shortcuts

Share

Category