Chowdhury FOOD Court

Chowdhury FOOD Court We always share with you traditional food and delicious food eating experience and food places locat

ঈদ স্পেশাল : গরুর মাংসের ‘কালা ভুনা’ কোরবানির ঈদ আসলেই হরেক রকমের গরুর মাংসের রেসিপি রান্না করা হয়। তবে অনেকে আছেন যারা ...
29/06/2023

ঈদ স্পেশাল : গরুর মাংসের ‘কালা ভুনা’



কোরবানির ঈদ আসলেই হরেক রকমের গরুর মাংসের রেসিপি রান্না করা হয়। তবে অনেকে আছেন যারা রান্নায় তেমন একটা পাকা নন, আবার কেউ কেউ রান্না করতেই পারেন না।
তাদের জন্য আমাদের আজকের গরুর মাংসের ‘কালা ভুনা’র বিশেষ রেসিপি-
কালা ভুনা
গরুর মাংসের কালো ভুনা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার হলেও দেশের কমবেশি সব মানুষই এই রেসিপিটি পছন্ন করেন। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এটি তৈরি করবেন-
উপকরণ
> ২ কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস
> ১/২ চামচ বা মরিচ গুড়া ও ১ চামচ হলুদ গুড়া
> ১/২ চামচ জিরার গুড়া ও ১/২ চামচ ধনিয়া গুড়া
> ১ চাচম পেঁয়াজ বাটা ও ২ চামচ রসুন বাটা
> ১/২ চামচ আদা বাটা, সামান্য গরম মশলা (দারুচিনি, এলাচি)
> ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি, কয়েকটা কাঁচা মরিচ,
> পরিমাণ মতো লবণ ও সরিষার তেল।
প্রস্তুত প্রণালী
> গরুর মাংস ধুয়ে নিয়ে একটি চালুনি পাত্রে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর লবন, তেল ও বাকি সব মশলা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে (পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ বাদে)।
> মাখানো মাংসটি এবার চুলায় হালকা আঁচ রেখে জ্বাল দিতে হবে। এবার দুই কাপ পানি দিয়ে আবারো ঢাকনা দিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হতে সময় লাগবে। যদি মাংস সেদ্ধ না হয় তবে আবারো গরম পানি এবং জাল বাড়িয়ে নিন।
> ঝোল শুকিয়ে, মাংস নরম হয়ে গেলে রান্নার পাত্রটি সরিয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি কড়াই নিয়ে, তাতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ ভাঁজতে থাকুন।

> সোনালী রং হয়ে আসলো সেই কড়াইতে গরুর মাংস দিয়ে , হালকা আঁচে ভাজতে হবে। মাংস কাল হয়ে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন, খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাংস পুড়ে না যায়। সবশেষে রান্নাটি নামানোর আগে লবণটি চেখে নিন। কালা ভুনার স্বাদ আরো বাড়াতে খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করুন।

02/03/2023
ঈদের দিনের জন্য সব স্পেশাল খাবারের রেসিপি:  সবাইকে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম  অনেক অনেক শুভেচ্ছা। মজার মজার সব রান্না করা খাবার...
27/04/2022

ঈদের দিনের জন্য সব স্পেশাল খাবারের রেসিপি:

সবাইকে ঈদুল ফিতরের অগ্রিম অনেক অনেক শুভেচ্ছা। মজার মজার সব রান্না করা খাবার ঈদের আনন্দকে আরও বেশী উপভোগ্য করে তোলে। আপনাদের সবার সাথে ঈদের এই আনন্দকে শেয়ার করতে হরেক রকম মজাদার খাবার

১। মিষ্টি দই :

উপকরন :
দুধ ১ লিটার
চিনি ৩/৪ কাপ
১ টেবিল চামচ খেজুর গুঁড় (ফ্লেবারের জন্য)
টকদই ২/৩ কাপ
প্রনালি :
১। টক দই ঘণ্টাখানেকের মত ছাঁকনিতে রেখে দই থেকে সমস্ত পানি ঝরিয়ে নিন।

২। একটি পাত্রে ১/৪ কাপ চিনি ও ১ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে ক্যারামেল তৈরি করে নিন।

৩। এখন ক্যারামেলের সুন্দর কালার চলে আসলে এর মধ্যে ১/২ কাপ দুধ ঢেলে অল্প আঁচে সব নেড়ে মিশিয়ে দিন। এই মিশ্রণের সাথে ১ টেবিল চামচ খেজুরের গুঁড় মিশিয়ে নিন।

৪। এরপর আলাদা পাত্রে বাকি দুধ জ্বাল দিন। দুধ ফুটে উঠলে ১/২ কাপ চিনি দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে দুধ ঘন ঘন নেড়ে দিন যাতে পাত্রের তলায় লেগে না যায়।

৫। দুধ মোট তিন থেকে চার বার ফুটিয়ে এর মধ্যে আগে থেকে তৈরি করে রাখা ক্যারামেল দুধের মিশ্রণ ঢেলে দুধ আরো একবার ভালভাবে ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

৬।এখন একটি বোলে পানি ঝরানো টক দইটা নিয়ে হুইস্ক দিয়ে ভাল করে দইটা ফেটে নিন।

৭। দুধের গরম ভাব কিছুটা কমে আঙুল সহ্য করতে পারে এমন হাল্কা কুসুম গরম দুধ ফেটানো টক দইয়ের মধ্যে ঢেলে ভালকরে নেড়ে নেড়ে মিশিয়ে দিন।

৮। এখন এই মিশ্রণটি একটু উপর থেকে ধরে দইয়ের হাঁড়িতে ঢেলে দিন। এরপর আর দইএর পাত্র বেশি নাড়াচাড়া করবেন না।

৯। দইয়ের পাত্রটি ঢাকনা বা এলুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে গরম তোয়ালে দিয়ে ভাল করে ঢেকে দিন। এরপর রান্নাঘরের গরম কোন জায়গায় সারারাত রেখে দিন। সকালে দেখবেন দই সুন্দর জমে গেছে।

১০। দই জমে গেলে দইএর পাত্র বেশি নাড়াচাড়া না করে দই ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন, এতে দই আরও সুন্দর সেট হবে।

১১। এরপর পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা মজাদার মিষ্টি দই।

২। সাবুদানার পায়েস :

উপকরন :
সাবুদানা ১/৩ কাপ
তরল দুধ ৩ কাপ
গুঁড়া দুধ ১/২ কাপ
চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদমত
হ্যাভি ক্রিম ১ কাপ
লবন ১ চিমটি
কেওড়া জল ১/২ চা চামচ
বাদাম কুঁচি ১/৪ কাপ
মোরব্বা ইচ্ছামত
প্রনালি :
১। প্রথমে সাবুদানা ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ছেঁকে ১ ১/২ কাপ পানি সহ সাবুদানা চুলায় জ্বাল দিন। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে সাবুদানা ঘন ঘন নেড়ে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

২। সাবুদানা সিদ্ধ হয়ে এর আকার দ্বিগুণ হয়ে গেলে পাত্র চুলা থেকে নামিয়ে দিন।

৩। আলাদা পাত্রে দুধ জ্বাল দিন। দুধের সাথে গুঁড়া দুধ এবং চিনি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এক চিমটি লবন দিন।

৪। দুধ কমে অর্ধেক হয়ে গেলে এখন এর মধ্যে ক্রিম দিন। আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা সাবুদানা ঢেলে ভাল করে নেড়ে দিন।

৫। পায়েস ভাল করে ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। পায়েসে গোলাপজল দিন।

৬। পায়েস সারভিং ডিসে ঢেলে উপরে বাদাম, মোরব্বা কুঁচি দিয়ে সাজিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর পরিবেশন করুন মুখরোচক সাবুদানার পায়েস।

৩। ফ্রুট কাস্টার্ড :

উপকরন :
ইভাপোরেটেড মিল্ক ১ ক্যান (৩৫৪ মিলি)
হ্যাভি ক্রিম ১/২ কাপ
চিনি ৩ টেবিল চামচ বা স্বাদমত
কর্ণফ্লাওয়ার ১ ১/২ টেবিল চামচ
ডিমের কুসুম ১ টি
ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ
ইচ্ছামত ফ্রুট (স্ট্রবেরি, কলা, আপেল, আঙ্গুর, আম, বেদানা)
জেলো ১/২ কাপ (২ ফ্লেভারের)
প্রনালি :
১। প্রথমে প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলো তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন সেট হবার জন্য।

২। এরপর একটি পাত্রে ইভাপোরেটেড মিল্ক, হ্যাভি ক্রিম, চিনি, কর্ণফ্লাওয়ার, ভ্যানিলা এসেন্স এবং ডিমের কুসুম নিয়ে সব একসাথে ভালকরে মিশিয়ে নিন।

৩। পাত্রটি চুলায় বসিয়ে দিয়ে মাঝারী আঁচে জ্বাল দিন। মিশ্রণটি ঘন ঘন নাড়ুন যাতে দুধ পাত্রের নিচে না লেগে যায়।

৪। জ্বাল দিতে দিতে দুধের মিশ্রণ ঘন হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিয়ে পাত্র চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

৫। এখন রুম টেম্পারেচারে দুধ ঠাণ্ডা করে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন ২ ঘণ্টা।

৬। এরপর পছন্দসই ফল এবং জেলো কেটে কাস্টার্ডের সাথে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

৬। শামি কাবাব :

উপকরন :
মাংস রান্নার জন্য

হাড় ও চর্বি ছাড়া গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম
বুটের ডাল ১/৪ কাপ
পেয়াজ মোটা কুচি ১/৩ কাপ
কাঁচা মরিচ ২ টি
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
জিরা গুড়া ১ চা চামচ
হলুদ ১/৪ চা চামচ
মরিচ গুড়া ১/৪ চা চামচ
গোলমরিচ ১/২ চা চামচ
ধনিয়া গুড়া ১ চা চামচ
মৌরি ১ চা চামচ
জয়ফল ১/২ চা চামচ
জয়িত্রী ১/৮ চা চামচ
দারচিনি ৩ টুকরা, তেজপাতা ২ টি, এলাচ ৫ টি, লবঙ্গ ৬ টি
লবন পরিমানমত
কাবাব তৈরির জন্য-

কাঁচামরিচ মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ
পেয়াজ মিহি কুচি ২ টেবিল চামচ
ধনিয়া পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
টমেটো সস ১/২ চা চামচ
টালা জিরা গুড়া ১ চা চামচ
ডিম ১ টি
টোস্টের গুঁড়া ১/৪ কাপ
তেল (কাবাব ভাজার জন্য)

প্রনালি :
১। পাত্রে মাংস, পেয়াজ,মরিচ, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা, হলুদ,গোলমরিচ, ধনিয়া, মৌরি, জয়ফল, জয়িত্রী, লবন ও সমস্ত গরম মশলা একসাথে মেখে পরিমান মত পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। ডাল আলাদা সিদ্ধ করে পানি শুকিয়ে নিন।

২। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে পানি শুকিয়ে ঝরঝরা করে নিন, মাংসে পানি থাকা যাবেনা ।

৩। মাংস চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন, এবার ডাল এবং মাংস মিহি করে বেটে নিন।

৪। বাটা মাংসের মিশ্রনের মধ্যে কাঁচামরিচ, পেয়াজ, ধনিয়া পাতা, টমেটো সস, টালা জিরা গুরা, সামান্য টোস্টের গুঁড়া এবং ডিম দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন।

৫। এরপর মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প নিয়ে হাতের চাপে কাবাব আকারে গড়ে নিন।

৬। প্যানে তেল গরম হতে দিন। তেল গরম হলে কাবাবগুলো লালচে করে ভেজে নিন। ব্যাস তৈরি শামি কাবাব।

৭। গরুর মাংসের কালাভুনা :

উপকরন :
মাংস মেরিনেশনের জন্য

গরুর মাংস ১ কেজি (অল্প হাড় এবং চর্বিসহ)
পেঁয়াজ মোটা কুঁচি ১ কাপ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ চা চামচ
কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া ১ ১/২ চা চামচ
হলুদ ১/৪ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া ২ চা চামচ
টালা জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
লবন পরিমানমত
আস্ত গরম মসলা(তেজপাতা ২ টি, লবঙ্গ ৮ টি, দারচিনি ২ টুকরা, এলাচ ৫ টি, বড় এলাচ ২ টি)
আস্ত গোলমরিচ ১৪ টি
সাদা তেল ১/৩ কাপ
কালাভুনা স্পেশাল মসলা

রাধুনী (Celery) ১/২ চা চামচ
টালা জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
গরম মশলা -এলাচ ২ টি, লবঙ্গ ৩ টি, দারচিনি ছোট ১ টুকরা, তেজপাতা ছোট ১ টি
আস্ত গোলমরিচ ৬ টি
বড় এলাচ ১ টির অর্ধেক
জয়ফল গুঁড়া ১/২ চা চামচ
ফোঁড়নের জন্য

সরিষার তেল ১/৩ কাপ
পেঁয়াজ কুঁচি ২/৩ কাপ
রসুন কুঁচি ১ টেবিল চামচ
আস্ত শুকনা মরিচ ৫ টি
প্রনালি :
১। প্রথমে কালাভুনা স্পেশাল মশলার সমস্ত উপকরণ একসাথে মিশিয়ে পাটায় বা ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নিন।

২। আলাদা পাত্রে মাংসের সাথে তেল সহ মাংস মেরিনেশনের সমস্ত মশলা মিশিয়ে মাংস মেরিনেট করে রাখুন ৪-৫ ঘণ্টা। এই সময় কালাভুনা স্পেশাল মশলার গুঁড়োটা দিবেন না। এই মশলা রান্নার শেষের দিকে দিবেন।

৩। মাংস মেরিনেট করা হয়ে গেলে এরপর রান্না শুরু করে দিন। রান্নার প্রথম দিকে পাত্র ঢেকে চুলার আঁচ বাড়িয়ে রাখুন। মাংস থেকে পানি বের হওয়া শুরু হলেই চুলার আঁচ মাঝারি করে দিয়ে মাংস ভালমত কষিয়ে রান্না করুন।

৪। মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত পাত্র ঢেকে দিয়ে রান্না করুন এবং মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে নিচে লেগে না যায়।। মাংসের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে প্রয়োজনে অল্প অল্প গরম পানি যোগ করুন।

৫। মাংসের পানি কমে আসলে কালাভুনা স্পেশাল মশলা পুরোটা মাংসের মধ্যে ঢেলে দিয়ে সব ভালকরে নেড়ে দিন। এখন মাংস কষাতে কষাতে সুন্দর সিদ্ধ হয়েঝোল শুকিয়ে তেল উপরে উঠে এলে চুলা বন্ধ করে দিন। (মাংস সিদ্ধ করে একেবারে নরম করে ফেলবেননা, এমনভাবে সিদ্ধ করবেন যাতে মাংসের ভিতরটা সুন্দর সিদ্ধ হয় কিন্তু মাংস খুলে না আসে।)

৬। এবার ফোঁড়নের জন্য আলাদা একটি পাত্রে ১/৩ কাপ সরিষার তেল নিয়ে চুলায় গরম হতে দিন।তেল গরম হলে একে একে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি এবং শুকনা মরিচ দিন। এখন পেঁয়াজের কালার ব্রাউন হয়ে এলে মাংসের মধ্যে এই তেল এবং পেঁয়াজ সব একসাথে ঢেলে দিন।

৭। চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কমিয়ে মাংস হালকা হাতে মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন যতক্ষণনা মাংসের উপর তেল উঠে আসে। এভাবে নাড়তে নাড়তে আস্তে আস্তে মাংসের রংও পরিবর্তন হয়ে কালচে হতে থাকবে। মোট ৮-১০ মিনিটের মধ্যে কালাভুনা তৈরি হয়ে যাবে। মাংসের উপর তেল উঠে এলে চুলা বন্ধ করে কালাভুনা কিছুক্ষন ঢেকে রাখুন।

৮। এরপর পরিবেশন করুন পরোটা, পোলাও বা সাদা ভাতের সাথে।

#👨‍🌾🍕🌭🍟🥤....

আইসক্রিমের আসল নাম ক্রিম আইস গরমকাল মানে আইসক্রিম চাই-ই-চাই! কিন্তু আইসক্রিম সম্পর্কে এই ইন্টারেস্টিং তথ্যগুলো জানতেন কি...
26/04/2022

আইসক্রিমের আসল নাম ক্রিম আইস

গরমকাল মানে আইসক্রিম চাই-ই-চাই! কিন্তু আইসক্রিম সম্পর্কে এই ইন্টারেস্টিং তথ্যগুলো জানতেন কি?

১) আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট-এর সময় আইসক্রিম আবিষ্কার হয়নি! শোনা যায়, তিনি নাকি বরফে মধু মিশিয়ে খেতেন।

২) ১৯০৪ সালে সেন্ট লুইস-এ 'ওয়র্ল্ডস ফেয়ার' চলাকালে আইসক্রিমের চাহিদা এতটাই বেড়ে যায় যে, শামাল দিতে আইসক্রিম বিক্রেতারা ওয়াফেল-এর মাথায় আইসক্রিম বসিয়ে বিক্রি করেন। দেখতে লাগে বড়, অথচ আইসক্রিম লাগে কম পরিমাণে! সেখান থেকেই কোন আইসক্রিমের জন্ম হয়।



৩) রুপার্ট গ্রিন্ট-এর জীবনের প্রথম ইচ্ছে ছিল, আইসক্রিম বিক্রি করবেন। তাই, 'হ্যারি পটার'-এর সিনেমা থেকে তিনি যে টাকা রোজগার করেছিলেন, তাই দিয়ে প্রথমেই কেনেন একটা আইসক্রিম ট্রাক।

৪) আইসক্রিম টেস্টার-রা সোনার চামচ দিয়ে আইসক্রিম চাখেন।

৫) আইসক্রিমের আসল নাম ছিল ক্রিম আইস।

৬) আইসক্রিমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কি জানেন? হাওয়া

৭) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি উদযাপন করা হয়েছিল আইসক্রিম খেয়ে।

৮) আইসক্রিমে থাকা চিনি আইসক্রিমের মেল্টিং পয়েন্ট কমায়।

৯) জুন মাসে সবথেকে বেশি আইসক্রিম তৈরি হয়।

১০) হাওয়াই-এ এক ধরনের ফল পাওয়া যায়, নাম ' আইসক্রিম বিন', খেতে হুবহু ভ্যানিলা আইসক্রিমের মতো।

১১) সারা পৃথিবী জুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় আইসক্রিমের ফ্লেভার হল ভ্যানিলা।

১২) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় পাওয়া যায় সবচেয়ে বিরল ফ্লেভারের আইসক্রিম-- হট ডগ ফ্লেভার

১৩) বিশ্বের সর্ববৃহৎ আইসক্রিম সান্ডি বানানো হয় ১৯৮৫ সালে, ক্যালিফোর্ণিয়ায়। উচ্চতা ১২ ফিট। ছিল ৪৬৬৭ গ্যালন আইসক্রিম।

১৪) ১ গ্যালন আইসক্রিম বানাতে ১২ গ্যালন গরুর দুধ লাগে।

১৫) গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আইসক্রিম টপিং হল চকোলেট সিরাপ।
ঘরে আইসক্রিম তৈরির করার পদ্ধতি

উপকরণ

হুইপিং ক্রিম- ১ কাপ
কনডেন্সড মিল্ক- আধা কাপ
ভ্যানিলা এসেন্স- ১ চা চামচ
চকলেটের বার- ২ কাপ (টুকরা)
খাঁটি নারকেলের তেল অথবা ডালডা- ৩ টেবিল চামচ
প্রস্তুত প্রণালি
একটি বাটি ডিপ ফ্রিজে আধা ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা করুন। ঠাণ্ডা বাটিতে হুইপিং ক্রিম নিন। ক্রিমও যেন ঠাণ্ডা হয়। নরমাল ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন হুইপিং ক্রিম বা ফ্রেশ ক্রিম। বিটার দিয়ে বিট করে নিন ক্রিম। ক্রিম ঘন হয়ে গেলে কনডেন্সড মিল্ক ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে আবার বিট করুন। ক্রিম একদম ঘন হয়ে গেলে ঢেকে ডিপ ফ্রিজে রাখুন ২ ঘণ্টা। ফ্রিজ থেকে বের করে চামচ দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন জমে যাওয়া ক্রিম। চামচের সাহায্যে মিশ্রণটি আইসক্রিমের ছাঁচে দিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখুন ৮ ঘণ্টা।
উপরের কোটিং তৈরি জন্য একটি পাত্রে পানি গরম করে উপরে হিট প্রুফ পাত্র বসিয়ে দিন। চকলেটের বার ভেঙ্গে দিয়ে দিন। নারকেলের তেল অথবা বাটার কিংবা ডালডা দিন। চকলেটের মিশ্রণ গলে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে গ্লাসে ঢেলে নিন।
ফ্রিজ থেকে আইসক্রিম বের করুন। ছাঁচ থেকে আইসক্রিম বের করার জন্য কুসুম গরম পানি ভর্তি পাত্রে ছাঁচ ডুবিয়ে রাখুন ২০ সেকেন্ড। আইসক্রিম খুলে আসলে সেটি তরল চকলেটে ডুবিয়ে নিন। মিশ্রণটি যেন খুব বেশি গরম না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি। আইসক্রিম প্রচণ্ড ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জমে যাবে বাইরের কোটিং। চাইলে নারকেলের গুঁড়া কিংবা বাদাম ছিটিয়ে দিতে পারেন উপরে, চকলেটের কোটিং নরম থাকতে থাকতেই। একটি ট্রেতে বাটার পেপার বিছিয়ে উপরে আইসক্রিম রাখুন। এভাবে ডিপ ফ্রিজে ১০ মিনিট রেখে বের করে পরিবেশন করুন মজার চকবার আইসক্রিম। চাইলে মুখবন্ধ বাটিতে সংরক্ষণ করতে পারেন অনেকদিন পর্যন্ত।


 #হোম মেইড ইফতারি   # #পানীয় এর মধ্যে আছে সরবত  #ফলের মধ্যে আছেখেজুরআমআপেলমাল্টাআনারস কলানাসপাতিতরমুজপেয়ারা #আর আছে অন্য...
25/04/2022

#হোম মেইড ইফতারি

# #পানীয় এর মধ্যে আছে

সরবত

#ফলের মধ্যে আছে
খেজুর
আম
আপেল
মাল্টা
আনারস
কলা
নাসপাতি
তরমুজ
পেয়ারা

#আর আছে অন্য সব রেগুলার আইটেম
চিকেন ফ্রাই
ডিম চপ
পেয়াজি
বেগুনি
আলুর চপ
চোলা
মুরি
ঝিলাপি

আর স্পেশাল আইটেমের মধ্যে আছে
ফুডিং
যা আমার সেঝ ভাবি নিজের হাতে বানিয়েছেন

# #

Address

OLD DHAKA
Dhaka
1200

Telephone

+8801521742921

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury FOOD Court posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Restaurant

Send a message to Chowdhury FOOD Court:

Shortcuts

Share

Category