29/05/2025
এই ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মোহাম্মদ সজীব ভূঁইয়ার একটি গোয়ার্তুমি জবাব দিতে ইশরাক হোসেন সমর্থকরা একজোট হয়েছেন। তাকে অপসারনের দাবি প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলেছে বিএনপি। ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ফারুক আহমেদকে পদত্যাগের চাপ দিয়ে আর একটি ভুল করেছেন এই ক্রীড়া উপদেষ্টা। বিসিবিতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রকাশ্য হয়েছে এই ঘটনায়। ফিফা কিংবা আইসিসি হলে এতোক্ষণ বিসিবির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী হতো। কিন্তু আইসিসি বলেই এমন কঠিন কোনো সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আশ্চর্য হলেও সত্য, বিসিবির গঠণতন্ত্রের কোথাও সভাপতি বা কোনো পরিচালকের ইমপিচমেন্ট চাওয়ার এখতিয়ার নেই। বরং বিসিবির বিদ্যমান গঠণতন্ত্রে সভাপতির ক্ষমতা প্রবল। তিনিই কেবল যে কোনো ইস্যুতে রুলিং দিতে পারেন।
যে ৮ জন পরিচালক বিসিবি সভাপতির অপসারণ চেয়ে যুবও ক্রীড়া উপদেষ্টার কাছে চিঠি দিয়েছেন, তাদের ৭ জন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী। তাদের আমলে বিসিবির দূর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে তদন্ত যখন শুরু করেছে দুদক, তখন তারা একজোট হয়ে দূর্নীতি বিরোধী সভাপতিকে অপসারনের নীল নকশা করেছেন। এদের মধ্যে ২ জন আবার বিএনপি পন্থী বলে দাবি করছেন। যে বিএনপি ক্রীড়া উপদেষ্টার অপসারণ চাইছে, বিসিবিতে তাদের সমর্থকরাই এখন স্ববিরোধী। আর একজন ১০ মিনিট ছাতার নীচে দাঁড়িয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করে তাদের সমর্থনে এখন বিসিবি পরিচালক। পাপন আমলে বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে ৪২ ভোটের মধ্যে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মাত্র ২টি। ৪ মাস আগে বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে ক্লাব কোটার পরিচালক পদের সংখ্যা ১২ থেকে ৪-এ নামিয়ে আনায় তার অপসারনের দাবিতে সোচ্চার বিএনপি পন্থী বিসিবি পরিচালকও ক্লাব কর্মকর্তারা ছিলেন সোচ্চার। তাদের জোরালো দাবিতে গঠণতন্ত্র সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত হয়েছে। এমন এক চপেটাঘাত দিয়েছেন যারা, তাদের পক্ষ নিয়ে এখন বিসিবির বর্তমান সভাপতি ফারুক আহমেদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। ফারুকের অপসারন চেয়ে লেখা চিঠিতে প্রথম স্বাক্ষরদাতা তিনি! বিসিবির চেয়ারের লোভ কে ছাড়তে চায় ?