Snacks Bite

Call Directions

Snacks  Bite Fast Food Restaurant

30/01/2022

MAA..🤗💗

09/11/2021

..💞💞

প্রিয় স্বাধীনতা ৭১ আর কথিত একাত্তর টিভি এক নয়, মূর্খরা এটা বুঝে না।কোনো সুস্থ মানুষ একাত্তর টিভির নিউজের পক্ষে সাফাই গাই...
15/10/2020

প্রিয় স্বাধীনতা ৭১ আর কথিত একাত্তর টিভি এক নয়, মূর্খরা এটা বুঝে না।

কোনো সুস্থ মানুষ একাত্তর টিভির নিউজের পক্ষে সাফাই গাইতে পারেনা।

২০১৪ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিক কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করেই মা,মাটি ও ভিটের টানে বাংলাদেশের বরিশালে আসেন বিখ্যাত সং...
15/10/2020

২০১৪ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিক কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করেই মা,মাটি ও ভিটের টানে বাংলাদেশের বরিশালে আসেন বিখ্যাত সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। মানুষ যেমন পূণ্যের আশায় তীর্থে গমন করে তেমনি নাড়ীর টানে পৈতৃক ভিটা দেখতে এসেছিলেন বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।বৃহত্তর বরিশালের ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার নিভৃত পল্লী চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের উত্তর চেঁচরী গ্রামেই শিল্পীর শেকড়।

সাতচল্লিশে দেশ ভাগের আগেই দেশ ছেড়ে যায় নচিকেতার পরিবার। তাদের ফেলে যাওয়া শূন্য ভিটায় মরিয়ম বেগম নামে এক নারী বসবাস করছেন। সেই জীর্ণ কুটিরে অবনত মস্তকে মাটির ওপরেই বসে পড়েন নচিকেতা। ১০ মিনিট নীরবে বসে থাকেন। এ সময় শিল্পীর দু'চোখ বেয়ে নেমে আসে অশ্রুধারা। তার চোখে জল দেখে উপস্থিত অনেকেই অশ্রু ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন।

কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা বলেন, ১৯৪৫-৪৬ সালের দিকে আমার দাদু ললিত মোহন চক্রবর্তী ভারতে চলে যান। আমার বহুদিনের আশা এই ভিটায় আসার। আজ সে আশা পূরণ হলো।

পৈতৃক জমি উদ্ধারের কোন চিন্তা নেই চিন্তা তার নেই। ভিটে-মাটি দখল হয়েছে, তা নিয়েও নেই কোন ক্ষোভ। শুধু জানালেন, তার পৈতৃক জমিতে যদি একটা হাসপাতাল হতো তাতেই তিনি সবচেয়ে খুশি হতেন।

নচিকেতা তাঁর গ্রামের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত কাটাখালী নদীতে নেমে পানি স্পর্শ করেন এবং নদীর পানি বোতলে ভরে কলকাতা নিয়ে যান।

পিতৃভূমি ত্যাগ করার মুহূর্তে নচিকেতা চক্রবর্তী বলছিলেন,

"আমি বরিশালের বাঙাল, কোন বিদেশী নই!!"
(Collected)

Date with your husband and wifeIt's sunnah.😍🖤
13/10/2020

Date with your husband and wife
It's sunnah.😍🖤

ভোজনরসিকদের জন্য সুখবর.🖤আগামীকাল থেকে  Snacks Bite এ আপনারা পাবেন চিকেন শর্মা..🌮প্রতি পিছ চিকেন শর্মা = ৬০ টাকা Low Prin...
18/08/2020

ভোজনরসিকদের জন্য সুখবর.🖤
আগামীকাল থেকে Snacks Bite এ আপনারা পাবেন চিকেন শর্মা..🌮
প্রতি পিছ চিকেন শর্মা = ৬০ টাকা

Low Prince But Best Test 🤤🖤

হুমায়ূন স্যার স্মরণে,,,,,, তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া,, প্রযোজক বরকতউল্লাহকে ফোন করে অনুরোধ করলেন - হুমায়ূন আহমেদ...
10/07/2020

হুমায়ূন স্যার স্মরণে,,,,,,
তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া,,
প্রযোজক বরকতউল্লাহকে ফোন করে অনুরোধ করলেন - হুমায়ূন আহমেদকে বলুন, নাটকের শেষে বাকেরকে বাঁচিয়ে রাখা যায় কিনা..

বরকতউল্লাহ ফোন দিলেন হুমায়ূন আহমেদকে। হুমায়ূন আহমেদ রাজি হলেন না। তিনি স্বাধীনচেতা লেখক। তিনি বিশ্বাস করেন লেখকের স্বাধীনতায়, পরিচালকের স্বাধীনতায়।

তিনি স্ক্রিপ্টে যা ভেবে রেখেছেন সেটাই করবেন। জনগনের আন্দোলন কিংবা প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধকে গ্রাহ্য করা লোক তিনি না।

হুমায়ূন আহমেদ তখন আত্মগোপনে আছেন। শহীদুল্লাহ হলের প্রভোস্ট তিনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেই তার বাসা। সেই বাসার সামনে রোজ কয়েকশো লোকজন এসে জড়ো হয়, স্লোগান দেয়, সেইসব স্লোগানের মূল ভাবার্থ হচ্ছে, বাকের ভাইয়ের ফাঁসি দেয়া যাবে না। শাহবাগে আরেকদল লোক জড়ো হয়, তাদের ভাষা আরও উগ্র। তারা সেখানে অভিনেতা আবদুল কাদেরের কুশপুত্তলিকা দাহ করে, প্ল্যাকার্ড-ব্যানার নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে। আজ, এই ২০২০ সালে দাঁড়িয়ে কল্পনা করতেও অবাক লাগবে যে, এতসব কাণ্ডকীর্তি লোকজন ঘটিয়েছিল শুধুমাত্র বিটিভিতে প্রচারিত নাটকের একটা চরিত্রকে ভালোবেসে।

09/07/2020

#জীবনটা_আসলে_খারাপ_ছিলো_না!

আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন। বেজবাবা অসুস্থ। জেমসের বয়সও তো কম হয়নি। মাইকেল জ্যাকসান মারা গেছে বহু দিন। নতুন ফানি ভিডিও বানাবে না আর মিস্টার বিন। সালমান শাহ আর কখনো বাংলা সিনেমায় আসবে না। রাজ্জাক, রাজিব, হুমায়ূন ফরিদি আহ কি অসাধারণ ছিল তাদের অভিনয়। টেলিসামাদ, দিলদার তো অনেক আগেই চলে গেছেন। হিথ লেজারকে আর কোনোদিন জোকার চরিত্রে দেখা যাবে না। শাহরুখ, সালমান, আমির বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। শৈশবের হিরোরা এখন ফানি লাগে। অসুস্থ কন্টেন্টে ভরপুর ফেসবুক আর চালাতে ভালো লাগে না। ভাই বোন যার যার মত থাকে। একসাথে হাসি আনন্দ অথবা মারামারি, কোনোটাই হয় না।

আক্ষরিক অর্থেই আমরা এই পৃথিবীর সবচাইতে ভাগ্যবান জেনারেশন। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে দুই হাজার পাঁচ- ছয় সাল অব্দি আমরা যারা শৈশব কাটিয়েছি এই বাংলাদেশে তারা কি পাইনি! তিন গোয়েন্দা আর ‘দীপু নাম্বার টু’ পড়া দিয়ে শুরু। কিশোর মুসা রবিন আর জীনার সাথে আমাদের কী ভীষণ বন্ধুত্ব! তারপর একটু বড় হতেই মাসুদ রানার রোমাঞ্চকর জগতে প্রবেশ। সাথে এক হাতে বাংলা সাহিত্য এবং নাট্যজগত অন্যরকম ভালোলাগায় গড়ে দেয়া সেই মানুষটা। হিমু, মিসির আলী, শুভ্র, জহির, মুহিব, অপলা, জরী, তিলু, নীলু থেকে শুরু করে বাকের ভাই, মজিদ, টুনি, তিতলী- কঙ্কা, চৌধুরি খালেকুজ্জামান, চ্যালেঞ্জার, ফারুক, ডাক্তার এজাজ, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সূবর্ণা মুস্তফা, হুমায়ূন ফরিদী, শাওন। আমরা সবকিছু পড়েছি, দেখেছি, হেসেছি, কেদেছি, ভালোবেসেছি। রোনালদো, রোনালদিনহো, বাতিস্তুতা, জিদানের শেষটা দেখতে না দেখতেই প্রবেশ করেছি মেসি- রোনালদো আর নেইমারের অতিমানবীয় জগতে। বছরের পর বছর ধরে কি দূর্দান্ত প্রতিযোগিতা, হাজার অর্জন, সবকিছু ছাড়িয়ে যাওয়া ম্যাজিক আর মুগ্ধতা। রাতদিন কত আলোচনা সমালোচনা ঝগড়া আর তর্ক।

আমরা কিন্তু ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্ডিয়া আর পাকিস্তানকেই সমর্থন করতাম। আমাদের সময় রিয়াল আর বার্সেলোনা ছিলো আবাহনী আর মোহামেডান।
আমরাই বুধহয় শেষ জেনারেশন যারা সবাই মিলে ফুটবল খেলতাম, ২২ টাকা দামের বল কিনতে আমরাই সবার কাছে চাদা তুলতাম। একটা ব্যাট কিনতে আমাদের অনেক কষ্ট হতো। আমরা মাঠে ৩০/৩৫ জন থাকতাম কিন্তু খেলার সুযোগ সবাই পেতাম না। কোনো দুঃখ নেই আজ যারা খেলতে পারি নাই কালকে তারা আগে ব্যাটিং পাবে....

অতিমানবীয় শচিন টেন্ডুলকারে শ্রেষ্ঠ সময় দেখেছি, শেষটা দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার অপ্রতিরোধ্য টিমের খেলা দেখেছি। লারা, ম্যাকগ্রা, মুরালীকে দেখেছি, দেখেছি চামিন্দা ভাস, সানাৎ জয়েসুরিয়া, হেইডেন, গিলেস্পির খেলা। আমাদের সময়ই কিন্তু প্রথম ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হয়েছিল। ওয়াসিম আকরাম, সৌরব, দ্রাবিড়, শের্ন ওয়ান আর আসবে না। মনে আছে লাছিত মালিংগার প্রথম ম্যাচ। তারপর প্রবেশ করেছি বিরাট কোহলির পারফেকশনের জগতে। প্রবেশ করেছি সাকিব-তামিম-মাশরাফির যুগে।

একটা নড়বড়ে দলকে চোখের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে দেখছি। আমি নিশ্চিতকরে বলতে পারি কোনো একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতে নিলেও আজকের এই জয়ের তীব্র আবেগটা থাকবে না। মেহরাব হুসেইন অপি, বুলবুল আর নান্নুরাই ছিল আমদের হিরো । আমাদের সময়েই তো শুরুটা হচ্ছে। জেমস, আইয়ুব বাচ্চু, বেজবাবা, আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের সবচাইতে সুন্দর সময়ের সাক্ষী আমরা।

আসিফের অপ্রিয়া গানটির কথা কার কার মনে আছে। জেমসের ও তারা রাতের তারা তুই কি আমায়...বাবা কতদিন কতদিন দেখিনি তুমায়.... তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরী ....., কিংবা আইয়ুব বাচ্চুর আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি একের পর এক দূর্দান্ত গানে ভেসে যাওয়া জেনারেশন আমরা। হাসান, বিপ্লব কিংবা পান্ত কানাই আমাদের প্রিয় গায়ক ছিলেন। মনে আছে সঞ্জীব দার কথা? আমি তোমাকেই বলে দেব, কি যে একা দীর্ঘ রাত... আমরাই একমাত্র যারা বখে যাওয়া শৈশবে না, যৌবনের শেষের ক্লান্তিতেও না, খুব বেশি সহজলভ্য ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করেছি তারুণ্যে উজ্জ্বল সময়ে।
গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সবকিছু পেয়েছি। স্মার্টফোনে অসাধারণ সব ফিচার পেয়েছি। শাহরুখ – সালমান- আমিরের সময়ের মানুষ আমরা। সিনেমা দেখার ঠিকঠাক বয়সে আমরা হাতের কাছে পাচ্ছি দুনিয়ার সমস্ত সিনেমা কয়েক মিনিটে ডাউনলোড করে দেখার সুযোগ। আইএমডিবি রেটিং খুজে ফরেস্ট গাম্প, বিউটিফুল মাইন্ড, শশাঙ্ক রিডেম্পশান, ইন্টারস্টেলার দেখে মুগ্ধ হওয়ার সৌভাগ্য। আমাদের সময়ে সিনেমা বানাচ্ছে ক্রিস্টোফার নোলান নামের একজন মানুষ। আমরা সিনেমা শেষ করে তব্দা খেয়ে বসে থাকছি। শৈশবের সব সুপার হিরো নিয়ে পর্দায় এসেছে জাস্টিস লীগ আর এভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়্যার।

আমরা কি ভীষণ ভাগ্যবান একটা জেনারেশন। আমাদের গর্ব করার কত কিছু আছে। নস্টালজিক হওয়ার কত স্মৃতি আছে। আবেগে ভেসে যাওয়া কত মুহূর্ত আছে। মুগ্ধতায় ডুবে যাওয়া কত সৃষ্টি আছে। মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খাওয়া শেষ জেনারেশন বোধহয় আমরা। বাবাকে জমের মত ভয় পাওয়া শেষ জেনারেশনও সম্ভবত আমরাই। নাম না জানা অসংখ্য সুস্বাদু পিঠেপুলি আর কয়টা শীতের সকালে খাওয়া হবে কে জানে!
টিভিতে আলিফ লাইলা, সিন্দাবাদ, রবিনহুড, গডজিলা শুরুর মিউজিক বাজলে আমাদের বুকের রক্ত যেভাবে ছলকে উঠতো সেই তীব্র আনন্দ আজকের নারুটো আর ড্রাগন বল জি দেখা বাচ্চারা কোনোদিনও বুঝবে না। শুক্রবার নামের আবেগটা শেষ আমরাই বোধহয় অনুভব করেছি।

আমরা যেমন ভাগ্যবান ঠিক, সাথে সাথে আমাদের দূর্ভাগ্যও কি কম? ভাবতে গেলে আর ভাবনা চালিয়ে যাওয়া যায় না। তিন গোয়েন্দা তো শেষ হয়েই গেছে, মাসুদ রানা এখন কে লিখে তার ঠিক নেই। সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন। সব বই পড়া শেষ, সব নাটক দেখা শেষ। ভাবতে গেলে কেমন লাগে! প্রথম আলোর সাথে সোমবারে আলপিন দেয় না। বৃষ্টি হলে কাগজের নৌকা ভাসাই না বহুকাল। সুনিল, শীর্ষেন্দু, সমরেশ মজুমদারকে আমরাই ভালো চিনতাম।

আর অল্প কয়টা বছর। তারপর কোনোদিন ফুটবল মাঠে পায়ের ছোয়া পড়বে না মেসি-রোনালদোর। এই দুই অতিমানবের পায়ে সৃষ্টি হবেনা কোনো জাদুকরী মুহুর্ত। আর একটা বিশ্বকাপ। তারপর সাকিব, তামিম, মাশরাফিও কি বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামবে? ভাঙা পা নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে কেউ আর পড়ে যাবে না, ভাঙা আঙুল নিয়ে কেউ দশ ওভার বল করবে না, হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে কেউ ব্যাটিংয়ে নেমে যাবে না। লিখতে গিয়ে এই মুহুর্তে আমার চোখে পানি চলে আসছে। পারফেক্ট মুশফিকের সাথে বিপদের বন্ধু মাহমুদুল্লাহ। এই পাঁচজন ছাড়া বাংলাদেশ মাঠে নেমেছে সেটা আমরা কিভাবে সহ্য করবো? কিভাবে!

আর কয়েক বছর পর মানুষ অনেক আধুনিক হবে। আধুনিক সমাজ প্রেমের ব্যাপারে অনেক উদার হবে। আমরাই শেষ জেনারেশন যাদের প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেছে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিসিএস ক্যাডারের সাথে। একটা মানুষকে ভালোবেসেও শুধুমাত্র সমাজের কারণে একসাথে জীবন কাটানো হয়নি আমাদের।

আমরা একদিন হাজার হাজার স্মৃতি নিয়ে বুড়ো হয়ে যাবো। ভালো লাগা আর খারাপ লাগা দুই ধরনের স্মৃতির ওজনে ভারী হয়ে থাকবে আমাদের বয়সের বোঝা। কোনো এক ক্লান্ত সন্ধ্যার আলো আধারীতে বেলকনির বেতের চেয়ারে বসে আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবব, ‘জীবনটা আসলে খারাপ ছিলো না!

Address

Dhansiri R/A, Chandina
Cumilla
3510

Telephone

+8801732564295

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Snacks Bite posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share