14/10/2022
আসসালামু আলাইকুম
আপনারা অবগত আছেন Maoya's Baking House এর কার্যক্রম বিগত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বন্ধ ছিলো।আমার ছোট বোন জান্নাতুল মাওয়ার এসএসসি এক্সাম থাকায় আমরা সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলাম।নিয়ত ছিলো এক্সাম শেষ হলে পেইজের কার্যক্রম ইনশাআল্লাহ পুনরায় শুরু করবো!তবে এক্সাম ডেট চেন্জ হয়ে সেপ্টেম্বর এ চলে আসে।
আলহামদুলিল্লাহ পেইজ চলাকালীন অবস্থায় আমাদের প্রতিদিনই কম বেশি অর্ডার থাকতো।তাই যখন ঢাকা বা কোনো অনলাইন পেইজ থেকে প্রোডাক্ট আনা হতো তখন আগামী কয়েকমাস ব্যবহার এর জন্য প্লান করে আনা হতো।মাওয়ার এক্সাম পিছিয়ে যাওয়ায় আমার অনেক প্রোডাক্ট ডেট ওভার হয়ে যায়।যা কিছু স্ট্যাবল প্রোডাক্ট ছিলো সেগুলো আমি সেল করে দেই এরপরে।
ফেব্রুয়ারী থেকে এই অব্দি অনেক কাস্টমার কল দিয়েছেন মেসেজ করেছেন।প্রতিটা মেসেজ কল রিসিভ করে ফিরিয়ে দিতে অনেক খারাপ লেগেছে।তবে সত্যি বলতে এই বিজনেসটা যখন শুরু করা হয় তখন করোনার সময়।আমি আর মাওয়া পুরো সময় বাসায় ছিলাম।কিন্তু যখন আমি ভার্সিটিতে চলে গেলাম অফলাইন পড়াশোনা শুরু হলো তখন বুঝতে পারলাম এই সেক্টরটা কতো টাইম কনজিউমিং একটা সেক্টর!!
অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি অব্দি ম্যানেজ করতে গিয়ে আমার আর মাওয়ার পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছিলো!!সামনে মাওয়ার কলেজ লাইফ।এই সময়ের পড়াশোনার চাপ যেমন বেশি সময়ও কম।সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা চাচ্ছি না বিজনেস টা কন্টিনিউ করতে। পড়াশোনার এতোটা চাপ থাকা অবস্থায় পড়াশোনার পাশাপাশি এরকম টাইম কনজিউমিং কোনো বিজনেস চালু রাখা সম্ভব নয়।
কখনো ভাবিনি বেকিং এর সেক্টরে এভাবে কাজ করবো।আলহামদুলিল্লাহ অনেক মানুষ এর সাথে পরিচয় হয়েছে,অনেক অনেক সাপোর্টিভ কাস্টমার পেয়েছি।কোনো ধরনের নেগেটিভ বিষয় মনে রাখতে চাচ্ছি না।বাধা ছিলো তবে আমার কাস্টমারদের ভালোবাসা আর সাপোর্ট তার চেয়ে শতগুন বেশি ছিলো🥰
আমি প্রতিটি কাস্টমার এর কাছে কৃতজ্ঞ কে এতোটা ভালোবাসার জন্য।
আশা করছি আপনারা সবাই বুঝতে পারবেন বিষয়টি।আমতলীতে যারা বেকিং নিয়ে কাজ করছেন তারা নিজেদের বেস্ট টা দেয়ার ট্রাই করবেন।আমি চাই প্রফেশনাল হোমবেকার তৈরি হোক আমতলীতে যারা আমতলী বাসিকে ভালো সার্ভিস দিতে পারবে🤗🤗