Salman's Dine

Salman's Dine আমরা সুস্বাদু হোমমেড খাবার স্বাস্থ্সম্মত প্রকৃয়ায় তৈরী করি।

22/09/2023

রিজিক নিয়ে টেনশন করবেন না||বাংলা ওয়াজ||a আবু ত্ব-হা আদনান ওয়াজআল্লাহ সুবহানা তায়ালা পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী দের জ.....

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে দাড়িয়ে আছি রিকসার জন্য।  হঠাৎ এক বৃদ্ধ রিকসাওয়ালা আসলেন। মাথায় পাকা চুল, বয়স ৬০+ হবে তার চো...
22/08/2023

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে দাড়িয়ে আছি রিকসার জন্য। হঠাৎ এক বৃদ্ধ রিকসাওয়ালা আসলেন। মাথায় পাকা চুল, বয়স ৬০+ হবে তার চোখেমুখে ক্লান্তি আর খুবই অসহায়ত্বের ছাপ। আমি বললাম,

- কাকা, রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে যাবেন?

- হ্যাঁ, যাবো।

- কত দিতে হবে?

- ৪০ টাকা দিয়েন বাবা। (ভাড়া ৪০-৫০ টাকা)

আমি একটু কঠিন হয়ে বললাম,

- কাকা ৩০ টাকা দিবো, যাবেন? গেলে চলেন না গেলে যান।

কাকা কিছুক্ষণ ভেবে বললেন আচ্ছা বাবা আসেন। আমি চেপে বসলাম রিকসায়। একটুও বুঝতে বাকি রইলো না যে তার আজকে খুব একটা ভাড়া হয়নি। নাহলে ৪০-৫০ টাকার ভাড়া কেউ ৩০ এ নেয়? আধুনিকতার এই যুগে কাকার প্যাডেল রিকসা চলতে লাগলো। কাকার শার্টের ছেঁড়া দাগ আর ময়লা জীর্নশীর্ন শরীর দেখেই বোঝা যাচ্ছিল সে হত দরিদ্র। তীর্ব রৌদের মাঝে তার শরীর বেয়ে টপ টপ করে ঘাম পড়ছিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম,

- কাকার বাসা কোথায়? ফরিদপুরেই?

- না বাবা, কানাইপুর।

- এতদূর থেকে আসেন রোজ?

- হ্যাঁ বাবা।

- রিকসা কি নিজের নাকি কাকা? এই আধুনিক যুগে প্যাডেল রিকশা চালাচ্ছেন, কষ্ট হয়না?

- না বাবা, ভাড়ায় চালাই। অটোরিকশা নিলে বেশি ভাড়া দিতে হয়। প্যাডেল নিলে দিনে ১২০ টাকা দিলেই হয়, অটোরিকশাতে ৩০০ টাকা দিতে হয় এজন্য প্যাডেলই নেই।

- তাও কাকা এই বয়সে প্যাডেল চালানো। কষ্ট তো হয় অনেক। দিনে কত টাকা ইনকাম হয়?

- তা একটু হয়৷ কিন্তু কয়ডা পয়সা বেশি পাওয়া যায় এজন্য প্যাডেলই চালায়। এই সব দিয়ে সারাদিনে হাতে ৩০০-৪০০ থাকে।

- কি বলেন কাকা, এইটুকু টাকা দিয়ে কি সংসার চলে? বাসায় কে কে আছে?

- কি করবো বাবা, জমিজমা নাই, বাড়িতে ২ টা মেয়ে আছে, একটা ছেলে আছে। ছেলেটা দেখে না৷ বউ নিয়ে আলাদা থাকে। বর্তমানে যে অবস্থা জিনিসপাতির দামের, তাতে টেনেটুনে চলে আরকি৷ একদিন অসুস্থ থাকলে পরেরদিন খাবার জোটে না।

কাকার কথার মাঝে একধরনের কষ্ট লুকিয়ে ছিলো। আমি থমকে গেলাম৷ ততক্ষণে স্টান্ডে পৌছে গেছি। কাকা গরমে ঘেমে নেয়ে গেছে। আর আমি আরামে চড়ে আসলাম। মানিব্যাগ থেকে বড় নোটটা বের করে কাকার দিকে এগিয়ে দিতেই তার চোখমুখ শক্ত হয়ে আসলো। বললো,

- বাবা এত টাকা তো সারাদিনের কামাইও না, ভাংতি দিবো কেমনে?

- আমি বললাম তাও তো কথা। এক কাজ করেন ওখান থেকে ২ গ্লাস আখের রস আনেন ভাংতি দিবে।

রসটা এনে ভাংতি টাকা সমেত আমার কাছে দিতে যাবে তখন বললাম

- কাকা রস আপনি খান, এই দুটোই আপনার। আমি গেলাম।

কাকা ততক্ষণে কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি। সে আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম,

- কাকা, এই রসও আপনার আর টাকাও আপনার। আজকে বাড়ি চলে যান। রৌদ অনেক। আরেকটা নোট বাড়িয়ে দিয়ে বললাম এইটা দিয়ে একটা নতুন শার্ট কিনে নিয়েন। আজকে বাড়িতে ভালো কিছু বাজার নিয়ে যাইয়েন।

কাকা বললো,

- না না বাবা এত টাকা কেন? এত টাকা তো আমি ৩-৪ দিনেও কামাই করি না। ভাড়া তো মাত্র ৩০ টাকা, এত টাকা আমি নিবো কেমনে! না না বাবা আপনি ৩০ টাকাই দেন।

কাকার হাত থরথর করে কাঁপছিলো। আমি তার হাতখানা শক্ত করে ধরে বললাম আমার জন্য দোয়া করবেন। আর নতুন শার্ট কিনে নিয়েন কিন্তু। তাই বলে একটা হাসি দিয়ে হাটা শুরু করলাম৷ খানিকটা সামনে গিয়ে পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখলাম কাকার চোখে পানি এবং সে তখনও সেখানেই দাড়িয়ে আমার প্রস্থান দেখছে।

নোটঃ বর্তমান দেশের যা অবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত উর্ধগতি, ইনকাম কমে যাওয়া সহ নানান সমস্যায় নিম্ন আয়ের মানুষেরা অনেক কষ্টে আছে। আপনি বা আমি নিজেও আছি। কিন্তু আমি আপনি যেকোনো ভাবে চালিয়ে নিতে পারি। কিন্তু ওনারা তা পারেন না৷ সব সময় চেষ্টা করবেন এরকম কাউকে দেখলে কিছু পয়সা বাড়িয়ে দিতে।

সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যা...
15/08/2023

সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।

শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?
ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন?
নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে।
ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না।

শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে।
ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না।
সে ও সাড়া দেয় না।

শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে।
এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।
তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে।
তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন।
চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো।

গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে।

সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়।
কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে।

শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে- এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে।
রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে। কিন্তু দুপাশে দুটো কান থাকলে কি রাজমুকুট ঠিকমতো মাথায় বসবে।
তাইতো তোমার কান দুটো তোলে নেয়া হয়েছে।
কিছু বুঝনা অবুঝ প্রাণী- এটাকে গ্রুমিং বলে।
চলো চলো আমার সাথে চলো। দেরি হলে অন্য কেউ আবার রাজা হয়ে যাবে।

গাধা আবার সিংহের কাছে আসে। এবার সিংহের আরেক থাবায় তার লেজখানা খসে পড়ে।
কিন্তু এবারও পালিয়ে বাঁচে।

শিয়াল যথারীতি গাধার কাছে এসে বলে- আবারও ভুল করলে।
লেজ থাকলে রাজ সিংহাসনে বসবে কিভাবে।
তাই তোমার লেজটা খসানো হয়েছে।
অবুঝ প্রাণী দূরদর্শী চিন্তা করতেই পারোনা।
এটা হলো আলট্রা গ্রুমিং। মানে একেবারে ফাইনাল টাচ।
চলো চলো তাড়াতাড়ি সিংহাসনে চলো।

গাধা আবারও সিংহাসনে আসে।
এবার আর সে বাঁচতে পারে না।
সিংহের থাবায় তার ক্ষত বিক্ষত দেহ খানা মাটিতে পড়ে আছে।
সিংহের দাঁতে মুখে রক্তের দাগ।

শিয়াল সিংহকে বলে - মহারাজ এতো কষ্ট করে আপনি খাবেন।
মাথাটা আমাকে দেন। সুন্দর করে প্লেটে সাজিয়ে দেই।
শিয়াল গাধার ব্রেণটুকু খেয়ে মাথার অবশিষ্ট অংশ সিংহকে দেয়।
সিংহ বলে- ব্রেণ কোথায়।
শিয়াল বলে- মহারাজ যে বারবার ধোকা খেয়েও আপনার কাছে এসেছে- আপনি কি মনে করেন তার ব্রেণ বলে কিছু আছে।

গাছের ডালের উপর থেকে ময়ুর বলে-
তার ব্রেণ ঠিকই আছে। কিন্তু অতি সহজ সরল হওয়ায় প্রতারকদের বুঝতে পারেনি।


প্যাঁচা তার সন্তানকে বলে -এই ঘটনা থেকে তোমরা কি শিখলে।

শিখলামঃ

হঠাৎ করে কেউ যদি বড় আপন হয়ে ওঠে, বুঝতে হবে তার গোপন দূরভিসন্ধি আছে।
এটাও শিখলাম- যার যে কাজ তাকে সেটাই করতে হয়। অন্যের কুমন্ত্রণা শুনতে হয়না।
লোভের ফল কখনো মিষ্টি হয়না।
সাদাসিদা হওয়া ভালো। কিন্তু বোকা হওয়া ভালো না।
সবচেয়ে বড় জিনিসটা শিখলাম তা হলো- প্রতারকদের একবার বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু বারবার বিশ্বাস করা যায় না।
অতি বিশ্বাস করে সে ঠকেছে। আর নিজের জীবন দিয়ে তার বিশ্বাসের মর্মন্তুদ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।

একটা তুর্কীয় গল্পের ভাবানুবাদ

10/08/2023
চাকরিজীবী মানুষ আমি। মাসের আজকে  ২৮ তারিখ। হাত একদম ফাকা। মনে হচ্ছে এ মাসটা বেশ লম্বা! বিকেলে বাচ্চার মা এসএমএস করে বলল,...
03/08/2023

চাকরিজীবী মানুষ আমি। মাসের আজকে ২৮ তারিখ। হাত একদম ফাকা। মনে হচ্ছে এ মাসটা বেশ লম্বা! বিকেলে বাচ্চার মা এসএমএস করে বলল, বাসায় রসুন নেই। এক কোয়াও নেই৷

ক'দিন আগে বলেছিল 'মারয়ামের বিস্কুট অনেক পছন্দ। পারলে বিস্কুট আইনেন'। হাত ফাকা। তাই আনতে পারিনি৷ পরে একদিন খেয়াল করে দেখি বাচ্চা বিস্কুট খাচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম কোত্থেকে এলো? বাচ্চার মা যা বলল তাতে ভেতরটা কেঁপে উঠল। যে বয়ামে বিস্কুট থাকে, মারয়াম ঐ বয়ামটা প্রতিদিন খুলে। ওখান থেকে বিস্কুট খায়৷ গতকাল বেলা ১১ টায় মারয়াম বয়াম খুলে দেখে বিস্কুট নাই৷ ও বিস্কুটই খাবে। আর সে কি কান্না। মায়ের মন তো। সইতে পারে নাই৷ ঘরের চিপাচাপা থেকে কিছু টাকা জোগাড় করে বুয়াকে দিয়ে বিস্কুট আনিয়েছে। ১০ টাকা দামের এনার্জি বিস্কুট।

যাহোক, রসুন নেই বাসায়। কিন্তু হাত তো ফাকা। এ দিকে দোকান থেকে বাকি খাওয়ার অভ্যাস একদমি নেই। মনটা একটু খারাপ। নামাজের পর অফিসে এসে বসলাম। মাদ্রাসায় যাওয়ার ভাড়াটাও ঘরের কোনা কাঞ্চি থেকে কুড়িয়ে নিই ইদানীং। তো এ সময় এক বৃদ্ধ মুসল্লী এলেন। বয়স ৭৫+। নতুন মুসল্লী। কথার একপর্যায়ে বললেন, হুজুর! আমার একটা চোখ নষ্ট৷ ডাক্তার বলছে ফেলে দিতে হবে। আরেকটা চোখে দেখি অল্প অল্প। আজকে টয়লেট করতে গিয়ে চশমাটা কমোডে পড়ে গেছে। দু'আ চাই হুজুর! যাওয়ার সময় ফিসফিস করে বললেন, হুজুর! গ্রামে জমিজমা নিয়ে গ্যাঞ্জাম। আমি এখন পলাতক। এখানে একজনের আশ্রয়ে আছি! দু'আ কইরেন! এরপর হাসিমুখে বললেন আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

আমি তার চলে যাওয়ার দিকে উদাস মনে তাকিয়ে আছি। ভাবছি আমার বাসায় রসুন নাই। আর তার তো চশমা নাই। চোখ নাই। ঘর নাই। সুস্থতা নাই। নিরাপত্তা নাই। আমার ঘরে কেবল রসুন নাই।

পাঠক!
আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট ভালো রেখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ প্রতি বছর যাকাত দেই। কিন্তু আমি আমার সংসারের জন্য মাসে একটা নির্দিষ্ট এমাউন্ট বাজেট রাখি। এর বাহিরে যাই না সাধারণত। যাতে আমি ও আমার পরিবার দারিদ্রতার একটু স্বাদ নিতে পারি। সাহাবিদের এই বৈশিষ্ট্যটা ছিল। দারিদ্রতা মনকে নরম রাখে৷ দারিদ্র্যতা আল্লাহর দিকে টেনে আনে।
আসুন বিলাসিতা নিয়ে প্রতিযোগিতা ছাড়ি, বরং দারিদ্র্যতার চর্চা করি!

লেখা: মাসউদ আলেমী

*নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি*পুরুষ ওয়েটার লাগবেপদঃ ১০ জন।যোগ্যতাঃ- ডাক্তার কিংবা ফার্মাসিস্ট প্রাধান্য পাবে।- দেখতে ফর্সা।- উচ্চতা ক...
29/07/2023

*নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি*
পুরুষ ওয়েটার লাগবে
পদঃ ১০ জন।
যোগ্যতাঃ
- ডাক্তার কিংবা ফার্মাসিস্ট প্রাধান্য পাবে।
- দেখতে ফর্সা।
- উচ্চতা কমপক্ষে ৬ ফিট
- চেহারা বলিউডের নায়কদের মত হতে হবে।
- সিক্স প্যাক বডিবিল্ডার হতে হবে।
- অনর্গল ইংলিশে কথা বলতে জানতে হবে।
- ঘন চাপ দাড়ি থাকতে হবে।
- ক্যাটস আই হতে হবে।
- ভদ্র ও নামাজী হতে হবে।
- গান জানলে ভালো (কাস্টমারকে মাঝে মাঝে গান শুনাবে)।
বেতনঃ ৬০০০ টাকা প্রতি মাস।
আর ৬৫০০ টাকা প্রতি মাস (মাস্টার্স বা পিএইচডি ডিগ্রী থাকলে )
ডিউটিঃ সপ্তাহে ৭ দিন বিকাল ৩ টা থেকে রাত ১২ টা। (মালিকের গাড়িতে বাসায় পৌঁছে দেয়ার সুবর্ণ সুযোগ)

✔️❝টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের❞ভারতীয় ধনকুবের রতন টাটাকে জার্মানির এক রেস্তোরাঁয় খাবার নষ্টের অপরাধে ৫০ ইউরো জর...
25/07/2023

✔️❝টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের❞

ভারতীয় ধনকুবের রতন টাটাকে জার্মানির এক রেস্তোরাঁয় খাবার নষ্টের অপরাধে ৫০ ইউরো জরিমানা করা হয়। এই সামান্য অর্থ তাঁর জন্য বড় কোনো বিষয় ছিল না। তবে সেদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে তিনি যা শিখেছেন, তিনি তা সত্যিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।

তিনি লেখেন— “বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ জার্মানি। একবার সহকর্মীকে নিয়ে হামবুর্গে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম আমি। যেহেতু আমরা খুব ক্ষুধার্ত ছিলাম, সেজন্য বেশ অনেকটা খাবার অর্ডার করেছিলেন আমার সহকর্মী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাবারই ছুঁয়ে দেখা হলো না আমাদের।"

এরপর আমি ও আমার সহকর্মী যখন রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, ওই সময় এক বয়স্ক মহিলা বিরক্ত হয়ে বললেন, “তোমাদের খাবার নষ্ট করা উচিত হয়নি।”

সহকর্মী ওই মহিলাকে উত্তর দিল, “আমরা টাকা দিয়ে খাবার কিনেছি। খাবার খাব না ফেলে দেব এটাতে তোমার মাথা ঘামানোর কী আছে?”

এই উত্তরে বেশ ক্ষেপে গেলেন ওই মহিলা। সঙ্গে থাকা আরেকজন তৎক্ষণাৎ ফোন বের করে কাকে যেন ফোন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার পোশাক পরা এক ব্যক্তি এসে হাজির হলেন।

ওই ব্যক্তি সবকিছু শুনে আমাকে এবং সহকর্মীকে ৫০ ইউরো জরিমানা করে বসলেন।

ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যাই আমি।

তারপর সেই কর্মকর্তা রাগান্বিত সুরে বললেন: "তুমি যা খেতে পারবে, শুধুমাত্র তাই অর্ডার কর। ❝টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের❞

এই পৃথিবীতে এমন অনেকেই আছে যারা খাবারের অভাবে ভুগছে। সম্পদ নষ্ট করার কোনো অধিকার তোমার নেই।"

অবকাঠামো বিনিয়োগকে আমরা এত ভয় পাই কেন? কি শত্রুতা অবকাঠামোর সাথে? গত মে মাসে আইএমএফ এর রোড ট্রান্সপোর্ট কোয়ালিটি নিয়ে কর...
25/07/2023

অবকাঠামো বিনিয়োগকে আমরা এত ভয় পাই কেন? কি শত্রুতা অবকাঠামোর সাথে?

গত মে মাসে আইএমএফ এর রোড ট্রান্সপোর্ট কোয়ালিটি নিয়ে করা র‍্যাংকিং নিয়ে লিখব লিখব করে লেখা হয়নি। ভেবেছিলাম আমাদের দেশের মিডিয়াতে আসবে। হয়ত এসেছে। কিন্তু আমার চোখে পড়েনি।

আমার নজরে পড়েছিল শ্রীলংকান একটি নিউজ যেখানে শ্রীলঙ্কার বাজে ট্রান্সপোর্ট কোয়ালিটি নিয়ে আক্ষেপ করতে দেখেছিলাম। শ্রীলংকায় সড়ক পথের গড় গতিবেগ মাত্র ৫০ কিলোমিটার। বলা হয়েছিল শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে তারা। আক্ষেপের বিষয় হল বাংলাদেশে গড় গতিবেগ মাত্র ৪১ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। খারাপের দিক থেকে আমরা চতুর্থ। পাহাড়ি দেশ ভুটানের গতিবেগ সবথেকে কম। তাও ৩৮ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। ভারতে ৫৮ কিমি, পাকিস্তানে ৮৬ কিমি।

এই কথা বলার কারন হল জনবহুল এই দেশে আমাদের সড়ক বলি, রেল বলি বা অন্যান্য অবকাঠামো বলি আমরা সেটা গড়ে তুলতে পারিনি। আমাদের এখানে যে পরিমান বিনিয়োগ দরকার তার অর্ধেক ও করতে পারিনি। একটা উদাহরন দেয়া যাক:

হার্ট পাম্প করে মানবদেহের প্রতিটা কোষে রক্ত পৌছায়। যদি কখনো এমন হয় যে হার্টের শিরা বা ধমনীতে কোলেস্টেরল জমেছে সেক্ষেত্রে রক্ত সঞ্চালনে বাধা পায় এবং বড় রকমের বিপদের সম্মুখীন হওয়া লাগতে পারে। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনের জন্য সুস্থ হার্ট গুরুত্বপূর্ণ। হার্টের সাথে প্রধান যেসব আর্টারি ও ভেইন রয়েছে সেগুলাতে বাধামুক্ত বা চর্বিমুক্ত রাখাটা সুস্থ দেহের রক্তসঞ্চালনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

একটা দেশের ক্ষেত্রেও অনেকটা এভাবে বিবেচনা করা যায়। বিশাল দেশের অর্থনীতির সঞ্চালক হল এর নদীপথ, রেলপথ ও সড়ক যোগাযোগ। কিন্তু আর্টারি ও ভেইন গুলাতে কোলেস্টেরল জমে যেমন রক্ত সরবরাহে বাধার সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনি ট্রাফিক জ্যাম একটা দেশের অর্থনীতির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। ধরুন উত্তরাঞ্চলের কোন এক গ্রামীন অঞ্চলে কোন পণ্য ভাল উৎপাদন হয়। কিন্তু যোগাযোগ ব্যাবস্থা ভাল না থাকবার কারনে সেই পণ্য দেশের অন্য অঞ্চলে আসতে পারেনা। আবার যদি পণ্য আনতে হয় তবে গাজীপুর, সাভারের ভয়ানক জ্যামে আটকে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়। পচনশীল দব্য হলে পণ্য নষ্ট হয়। এই জ্যাম হল অনেকটা কোলেস্টেরল এর মত যেটা রক্তসঞ্চালনের বাধা সৃষ্টির মতই অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক হবার ফলে বিশ্বের সবথেকে দুর্বল অবকাঠামোর ভাগিদার আমরা। প্রথমত নদী, খাল, বিল এর কারনে এখানে সড়ক পথ নির্মানে প্রচুর সেতু, কালভার্ট নির্মান করা লাগে। আর নরম নিচু মাটি ভরাট করে পথের বেজ তৈরি করতে হয় যা সময় সাপেক্ষ্য ও আর্থিক দিক থেকেও খরুচে। কিন্তু নদীপথে যে যোগাযোগ ব্যাবস্থা সহজ হবে সেটার সুযোগ ও কম। আন্তর্জাতিক নদীর পানি প্রবাহ সরিয়ে নেয়ায় বাংলাদেশের অধিকাংশ নদী মৃত অথবা বছরের অল্প সময়ে জীবিত ও পানিপথে চলাচলের উপযোগী থাকে।

রেল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিন্তু এখানেও অজস্র নদী, নালা, খাল, বিলের কারনে রেলপথ সব স্থানে পৌছানো সম্ভব হয়নি।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অবকাঠামোতে যে পরিমান বিনিয়োগ প্রয়োজন ছিল সেটা হয়নি। আর এজন্যই অবকাঠামো ঘাটতি আকাশচুম্বী হয়েছে। অপ্রতুল অবকাঠামো চাহিদা সামাল দিতে না পারায় এক অপরিকল্পিত বসবাস অনুপযোগী শহরে পরিনত হচ্ছে দেশ, যেখানে গড় গতিবেক ঢাকায় হেটে যাওয়ার থেকেও কম।

এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবং দেশের প্রতিটি কোণায় যোগাযোগ গতিময় ও সহজ করতে প্রয়োজন প্রচুর বিনিয়োগ। ভাবতে অবাক লাগে যে ঢাকা চট্টগ্রাম সড়ককে ৪ লেনে উন্নিত করবার আগে কোন জাতীয় মহাসড়ক ৪ লেনের ছিলনা। আরো অবাক লাগে যে আমরা ঢাকা চট্টগ্রাম ৪ লেন করতে গিয়ে বুঝেছি যে এদেশে এক্সপ্রেসওয়ে করা দরকার। দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে ঢাকা মাওয়া ভাঙ্গা! এর আগে এদেশে এক্সেস কন্ট্রোল সড়ক ছিলনা! আরো প্যাথেটিক বিষয় হল আমরা দেশের প্রধান সড়ককে চার লেনে উন্নিত করার চিন্তা ভাবনা করছি যেখানে সড়কগুলি ১২ লেনে করা দরকার। এক্সপ্রেসওয়ে ৮ লেন এবং দুই পাশে দুই লেনের দুটি সার্ভিস লেন। আমরা হয়ত আবার দেখব যে ৪ লেন করে কাজ হচ্ছে না। তখন প্রকল্প ব্যয় আরো বাড়িয়ে আমাদের ১২ লেনেই যেতে হবে। আমরা দেরিতে বুঝি। এটাই সমস্যা।

ভারতের অবস্থা দিয়ে শুরু করি। দেশটিতে টোটাল এক্সপ্রেসওয়ে আছে ২,০৭৪.৫ কিলোমিটার। বৃহৎ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ভারতের সবথেকে দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে পুরবাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে যেটার দৈর্ঘ ৩৪০.৮ কিলোমিটার। দিল্লি-মেরুত এক্সপ্রেসওয়ে ১৪ লেনের।

গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের পরিকল্পনা প্রতিটা রাজ্যকে দ্রুতগতির সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করা। আরেকটা বড় প্রকল্প হল ভারতমালা প্রকল্প। এই প্রকল্পে ভারত মোট ৮৩,৬৭৭ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মান করে সব রাজ্যকে জুড়ে দিবে। চিকেন নেক নিয়ে যে ভয় বা দূর্বলতা সেটাও জয় করার প্রয়াস তারা নিয়েছে। এই প্রকল্পে ৩৪,৮০০ কিলোমিটার নির্মানে তারা বিনিয়োগ করবে ৫.৩৫ লক্ষ কোটি রুপি।

পাকিস্তান সিপিইসির মাধ্যমে তাদের অবকাঠামো দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার প্র‍্যয়াস পেয়েছে।

প্রশ্ন হল কোনটি প্রয়োজনীয় আর কোনটি প্রয়োজনীয় নয় সেটার ক্ষেত্রে একটু ক্রিটিকাল থিংকিং করা যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ছোট দেশে জনসংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত। আর যত বেশি মানুষ তত বেশি পরিবহন চাহিদা। আর যত বেশি পরিবহন চাহিদা তত বেশি বিনিয়োগ জরুরি যতক্ষণ পর্যন্ত জ্যাম বিষয়টাকে জিরোতে নামিয়ে আনা না যায়। দেশের প্রধান সড়কগুলি এত বছরেও চার লেন ছিল না। এখন এটাকে চার লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নিত করা হচ্ছে। তবে ঢাকা চট্টগ্রাম চার লেনের সময় ও আমাদের মাথায় আসেনি সড়কটিকে এক্সপ্রেসওয়ে করা গেলে লিড টাইম কতটা কমিয়ে আনা যেত। শুরুতে ঢাকা মাওয়ার ৩৫ কিলোমিটার হল বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। এটার দারা বুঝা যায় যে পার্শ্ববর্তী দেশগুলির সাথে প্রতিযোগিতার বিচারে আমরা কতটা পিছিয়ে। আমাদের সরবরাহ ব্যাবস্থার নেটওয়ার্ক কতটা দুর্বল।

চার লেনের পরিবর্তে ন্যাশনাল হাইওয়ে গুলি ৮ লেনের করা উচিত। আর আঞ্চলিক সড়ক ৪ চার লেনের করা উচিত। এর প্রধান কারন হল এদেশে কিলোমিটার প্রতি মানুষের ঘনত্ব সবথেকে বেশি। আর এত মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিতে চার লেন বেশিদিন সুফল আনতে পারবে না।

এখন প্রশ্ন থেকেই যায়, আমাদের কি ঋন বেড়ে যাবে? এত বিনিয়োগ করলে কি আমরা দেউলিয়া হব?

কিছু প্রকল্প আছে যেটা অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু অপ্রয়জনীয় প্রকল্পের তকমা কোন ধ্রুবক নয়।

একটি উদাহরন দেয়া যেতে পারে। বরিশাল ভোলা সেতু নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘের দেশের বৃহত্তম এই সেতু করতে প্রায় ৯,৮০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন আসতে পারে একটি দ্বীপ জেলার পেছনে এত টাকা ব্যয় কেন করব? এতে কি আসলেই রিটার্ন আসবে?

আবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শরিয়তপুর চাঁদপুর সেতু। আপাত দৃষ্টিতে এই সব সেতু করে কোন লাভ নেই। রিটার্ন আসবে না। কিন্তু চিন্তার পরিধি একটু বড় করি। যদি ভোলা সেতু করতে হয় তবে এটা লাভজনক নয়। তবে যদি সম্পুরক প্রকল্প হাতে নিয়ে সেখানে ইকোনমিক জোন করা যায় তবে কি হবে? অন্য জেলার তুলনায় ভোলায় পতিত জমি বেশি। আবার এখানে গ্যাস ও আছে। তাহলে এই সেতুকে কাজে লাগিয়ে এখানে শিল্পায়ন করা যেমন সম্ভব তেমনি ভোলার গ্যাস সেতুর মাধ্যনে জাতীয় গ্রিডেও সরবরাহ সম্ভব। শরিয়তপুর চাঁদপুর সেতু দক্ষিণাঞ্চলের তিন সমুদ্র বন্দরকে কানেক্টিং সেতু হিসাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এতে এই সেতু ঘিরে অর্থনীতির পাওয়ারহাউজে রুপ দেয়া যাবে এই অবহেলিত অঞ্চলকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সুবিধা কতটুকু পাওয়া যাবে তার চেয়ে সামগ্রিক প্রভাবটা মূখ্য হয়ে উঠে। সরকারি অর্থায়নে শুধু লাভ দেখলেও হয় না। একটা বড় জেলাকে কেন সড়ক সুবিধা দিবেনা রাষ্ট্র সেটিও বিবেচ্য হয়।

অবকাঠামো বিনিয়োগ নিয়ে সমালোচনার প্রধান স্থান হওয়া উচিত দুর্নীতি। অবকাঠামো নয়। আমরা যেভাবে আতকে উঠি আর ভাবি আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব মোটেও তেমন নয়। বরং অবকাঠামো বিনিয়োগের প্রকল্প সবার নজরদারিতে থাকে। আলোচনায় থাকে। কিন্তু অবকাঠামো বাদে অন্য যেসব প্রকল্পে বাংলাদেশ ঋন নেয় সেটা নিয়ে কেউ টু শব্দ করেনা। বিশ্ব ব্যাংকের কথায় ধরুন। এরা আফ্রিকাকে যুগ যুগ ধরে অর্থ ঋন এবং সহায়তা করে আসছে। দূর হয়েছে সেখানের দারিদ্র? না। কেন না? সেই প্রশ্নের উত্তর কেউ খুজবে না।

আমাদের দেশে অবকাঠামো বিনিয়োগেও পাশ্চাত্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যায়। অথচ বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের ফান্ডিং গুলা দেখলে অবাক হতে হয়। এই ধরুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প, রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প টাইপ যেসব প্রকল্প আছে সেখানে বিশ্ব ব্যাংক কোন ভ্যাজাল করেনা। এর থেকে বেনিফিট কি আসে আমরা জানিনা। কি দক্ষতার উন্নয়ন হয় সেটাও জানিনা। আবার ধরুন কোন প্রকল্পের নাম দিবে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। আদতে এর বেনিফিট কতটুকু আসলো সেটা ভাবার সময় না আসলেও ভাল একটা সংখ্যা আসে। যেমন এত লক্ষ মানুষকে ট্রেনিং দিছে। শুনতে ভাল লাগে। কিন্তু এসব ট্রেনিং এ মানুষ আসলেও শিখতে যাচ্ছে কিনা বা কতটুকু শিখছে সেটা বুঝা কঠিন। কিন্তু দিনশেষে দেখবেন বিশ্বব্যাংকের কাছে ঋনের পরিমান বাড়লেও সেই ঋন নিয়ে সমালোচনার কেউ নেই।

সব সমালোচনা শুরু হবে যখন দেখবেন কোন অবকাঠামো প্রকল্প হাতে নিবেন। আর সেটা যদি চীন থেকে হয় তবে মিডিয়ায় সেটির ক্ষতি শতগুন বেড়ে যায়। এই বিশ্বব্যাংক কিন্তু বিভিন্ন দেশকে উচ্চসুদে বন্ড ইস্যু করার বড় পরামর্শদাতা। আবার দেখবেন ঘাটতি বাজেট অর্থায়নের অংশ ও এরা দিবে। চীনের ভুল চীন নিজ দেশের নামে ঋন দেয়। আমেরিকার চালাকি তারা এটা বিশ্ব ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানকে ব্যাবহার করে। আর অভ্যন্তরীণ ইস্যুতেও এসব প্রতিষ্ঠান নাক গলালে দোষ কেউ আমেরিকার দেয় না। চীন যখন অবকাঠামো বিনিয়োগ ঘাটতির জন্য AIIB প্রতিষ্ঠা করে তখনো তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ভাবখানা এমন যে আমেরিকার সমস্যা মানে বিশ্বের সব দেশের সমস্যা।

আমাদের অবকাঠামো ঘাটতি রয়েছে। এখন পিছু ফেরার সময় নয়। আমাদের রেল, নৌপথ ও সড়কের দুর্বলতা কমিয়ে আনতে হবে। দেশকে বিনিয়োগ উপযোগী করতে হবে। আর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিতে হবে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রুডেন্ট ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে রিস্ক ফ্যাক্টরগুলি চিহ্নিত করে মিটিগেট করতে হবে। এর বিকল্প নেই আমাদের। আমাদের দেশে ১০০ কিলোমিটার পার হতে যে সময় লাগে সেটা যেন উন্নত বিশ্বের মত হয়। আমাদের কর্মঘন্টা যেন বেকার নষ্ট না হয়। প্রতিটা সময় যেন এদেশের মানুষ কাজে লাগাতে পারে সেই কামনায়।

বৈদ্যুতিক বাতির আবিস্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এর একটি গল্প পড়েছিলাম। 'Mothers Love for a Boy' গল্পটির কাহিনি অনেকেই...
24/07/2023

বৈদ্যুতিক বাতির আবিস্কারক বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এর একটি গল্প পড়েছিলাম। 'Mothers Love for a Boy' গল্পটির কাহিনি অনেকেই জানেন। তারপরও আজকে এই ছবিটি দেখে, সেই গল্পের কথা মনে পড়ে গেল।

এডিসন পড়াশোনাতে বেশ দূর্বল ছিলেন। পরীক্ষায় খাতায় তেমন ভালো করতে পারেননি। ফলে তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেন, 'চিঠিটা যেনো খোলা না হয়। সোজা মায়ের হাতে দেয়া হয়।

এডিসন মায়ের হাতে চিঠি দিলেন এবং চিঠিতে কি লেখা কৌতুহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন। তার মা আওয়াজ করে এডিসনকে শুনিয়ে বললেন,‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।'

তারপর থেকে তিঁনি মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হবার পর টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। কিন্তু তাঁর মা সেসময় বেঁচে ছিলেন না। হঠাৎ একদিন পুরানো কাগজ নাড়তে থাকেন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে চোখ আটকে যায়। চিঠিটি খুলে দেখেন সেই পুরানো স্কুলের চিঠি। আবেগতারিত হয়ে যান। মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে সেসব দিনের কথা।

সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।

তারপর এডিসনের চোখ ভিজে যায়! তাঁর মায়ের কথা ভীষণ মনে হয়। ডাইরীতে লিখে রাখলেন তখন,‘টমাস আলভা এডিসন মানসিক অসুস্থ এক শিশু ছিলেন কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর সেরা প্রতিভাবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন।’

এই ছবিটি কে তুলেছেন জানা নেই। তবে জানা আছে মায়ের ভালোবাসার কথা। এই সন্তানকে গড়তে মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর সংগ্রামের কথা। মায়েরা সন্তানকে এভাবেই গড়ে তোলেন, একজন মমতাময়ী মা যেনো এমনই হয় !!



 # #১.  মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।২.  মা বিনা বেতন...
23/07/2023

# #

১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।

৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।

৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।

৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।

৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।

৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।

১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!

~সংগৃহীত~

বিসিএস ক্যাডারের মন ভাল নেই!!!কাজের অনেক চাপ, নড়াচড়ার সময় পর্যন্ত নেই। এদিকে নন-ক্যাডারের আফসোসের শেষ নেই! অল্পের জন...
23/07/2023

বিসিএস ক্যাডারের মন ভাল নেই!!!
কাজের অনেক চাপ, নড়াচড়ার সময় পর্যন্ত নেই।
এদিকে নন-ক্যাডারের আফসোসের শেষ নেই! অল্পের জন্য ক্যাডারটা মিস হয়ে গেল। ক্যাডারই হতে পারলাম না জীবনে!!
এডমিন ক্যাডার ভাবতেছে পুলিশ ক্যাডার ভাল আছে! আর পুলিশ ক্যাডার ভাবছে ধ্যাত্তারি! নিজের জীবন বলতে কিছু নেই! যখন তখন ডিউটি!
ডাক্তার ভাবছে ইঞ্জিনিয়ার হতে পারলাম না। জীবনটা হয়তো আরও সুন্দর হতো! এই কাঁটাছেড়া করতে করতে জীবনটা শেষ! ইঞ্জিনিয়ারের মনটাও বেজায় খারাপ! একটা প্রেসক্রিপশন লিখেই ডাক্তার বন্ধু মাসে লাখ টাকা বসে থেকে কামিয়ে নিচ্ছে!
এদিকে আবার বেসরকারি কর্মকর্তার হতাশার শেষ নেই! মাসে ৬ ডিজিট ব্যাংক একাউন্টে ঢুকলেও ব্যাংকারদের মতো চাকরীর নিশ্চয়তা নেই!
গাড়ি বাড়ির নাম মাত্র ইন্টারেস্টে লোন নেই!
ব্যাংক কর্মকতার আহাজারি আবার আকাশ সমান!
সকালে বের হবার সময় বউ ঘুমিয়ে থাকে, বাসায় যাবার পরও দেখে বউ আবার ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে! সময়ই মিলছে না জীবনে নতুন বউকে দেবার মতো!
জুনিয়র কর্মকতা ভাবছে এসব আনস্মার্ট লোকজন কিভাবে একটা অফিসের বস হয়! বসের বেজায় মেজাজ খারাপ কি সব লোকজন অফিসে কাজ করে কাজের কোন আউটপুট নাই!
ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া বন্ধুটারও ভীষণ মন খারাপ! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সটা পেলামই না!
এদিকে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুটিও ভাল নেই! বন্ধুরা মন মতো ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে! কিন্তু আমি পছন্দের ডিপার্টমেন্টটা পেলাম না!
যাক গে! অন্যদিকেও একই কান্ড!
জ্যামে বসে বাসের হেল্পার ভাবছে ড্রাইভার হতে না পরলে এই জীবনে আর কোন সুখ আসবেনা! হুদায় সিটে বসে ড্রাইভার ফালপাড়ে! বাসের ড্রাইভারও হতাশ! এতো বছর ড্রাইভারি করে আর কি হলো! পরের গাড়ি চালিয়ে দিন যাচ্ছে! নিজের যদি একটা বাস থাকতো!!
এদিকে বাসের মালিকও ভাল নেই!
তার মাত্র ৩ টা বাস চলে ঢাকা আরিচা মহাসড়কে!
অথচ রহিম ভাইয়ের ১৫ টা চলছে দিব্বি! কত সুখে আছে তিনি!
সাংবাদিক ভাইয়ের মনটাও খারাপ! এই পেশায় কি আর জীবন চলে! নিজের যদি একটা পত্রিকা থাকতো তাও না হয় একটা দাপুটে জীবন হতো! পত্রিকওয়ালা ভাইয়ের দিন ভাল যাচ্ছেনা, এই পত্রিকা নাকি মানুষ এখন আর পড়েনা! লাভ নাই!
যাকগে টিভিওয়ালা হয়তো ভাল আছে! সেকি! তারও মনটাও ভীষণ খারাপ! শুধু টিভি চ্যানেল দিয়ে কি আর হয়রে ভাই! একটা শিল্প প্রতিষ্ঠান করতে না পারলে হচ্ছে কই? অন্তত একটা শপিং মলও তো করা লাগে!
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও ভাল নেই। অভাব অনটনে অবস্থা নাকি খুবই খারাপ! এই কয়টাকা বেতনে কি আর দিন চলে! তার থেকে পিএইচডি করতে গিয়ে বিদেশ পাড়ি দেওয়াই ভাল ছিল!
ওদিকে পিএইচডি করতে যাওয়া ভাই-ব্রাদার স্বপ্নে বিভোর! পিএইচডি শেষ করেই নেক্সট সার্কুলারে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে না পারলে এই জীবন বৃথা!
নাহ ভাই!
বহু বড় মানুষের মন খারাপ নিয়ে মেলা কথা হয়ে গেছে! থাকগে, যাকগে!
কিন্তু এদিকে আবার করিমেরও মন খারাপ! সুন্দরী একটা বউ পেয়েছে ঠিকই কিন্তু মাথায় কোন বুদ্ধিশুদ্ধি নাই! মফিজ বেচারাও মহাচিন্তায়! কোটিপতি বাপের একমাত্র মেয়ে বিয়ে করলাম কিন্তু করিমের মতো সুন্দরী বউ পেলাম না!
সাদিয়া খুব চাপে আছে! পাশের বাসার ভাবি গতকালই একসেট নতুন গহনা কিনেছে! অথচ তার হাসবেন্ড সেই কবে একটা হোয়াইট গোল্ডের গলার হার কিনে দিয়েই শেষ! এই জীবন রেখে আর কি হবে!
তানিয়ার মেজাজ বড্ড গরম! একসেট গহনা কিনে দিলেই হয়ে গেল? বাসায় ৪ জন সদস্য অথচ গাড়ি মাত্র একটা। এত কষ্ট করে জীবন চলে!?
নাহ! কোন ভাবেই চলেনা। এতো কষ্ট করে কারোরই আসলে বেঁচে থাকারই দরকার নেই!
সমাজে যাদের কিছুই নেই,
বড় কোন আশা নেই,
তাই আশাহত হবার সুযোগ নেই,
জীবন যাবার ভয় নেই,
জীবনে হতাশার বালাই নেই,
বন্ধুর উন্নতিতে মন খারাপ নেই,
রেষারেষি নেই,
হেঁটে বা রিক্সায় অফিস যেতে আফসোস নেই, এসির জন্য কষ্ট নেই,
রোদে পুড়তে ভয় নেই,
ত্বক হারাবার টেনশন নেই,
জীবনযুদ্ধে পরাজয়ের ভয়-ডর নেই
বরং মায়ের মুখে এক চিলতে হাসি ফুটানোর সাহস আছে,
বাবার হাতে মাসের শুরুতে হাত খরচ গুজে দেবার কলিজা আছে,
বন্ধুর ভরসা হয়ে থাকার সুযোগ আছে,
সুস্থ সবল শরীর মন আছে,
এবং দিনশেষে জীবনের সকল সিচুয়েশানে আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সাহস আছে!!!
জীবনটা ছোট্ট জটিল এবং সুন্দর বলে মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করার কৌশল জানা আছে তারাই বরং ভাল আছে!!!
জীবনটা আসলেই এমন- "নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস"
(সবশেষে মনে করাই ছোট বেলার সেই গল্প
সুখি মানুষের জামা চাই (রাজার)
সেই সুখি যার কোন জামা নাই
তাই নিশ্চিতে ঘুমাতো
( )

একটি কিডনির ওজন সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম। এই যন্ত্রটি প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫০ লিটার রক্তশোধন করে। কত টাকা দিতে হয় এজন্য আমাদের? ...
21/07/2023

একটি কিডনির ওজন সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম। এই যন্ত্রটি প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫০ লিটার রক্তশোধন করে। কত টাকা দিতে হয় এজন্য আমাদের? একটি টাকাও নয়! অন্যদিকে একটি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওজন কমপক্ষে ১০০ কেজি। এই একই কাজ এই মেশিনের মাধ্যমে করাতে প্রতি চার ঘণ্টায় খরচ হয় কয়েক হাজার টাকা।

কিডনি শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অঙ্গ। করাচির জনৈক কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- ‘বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন, তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?’

ডাক্তারের উত্তরটি ছিল খুবই আশ্চর্যজনক। তিনি বলেছিলেন, ‘বিজ্ঞানের এতো উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা সম্ভব নয়। কেননা আল্লাহতায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন, তা খুব সুক্ষè ও পাতলা। এখন পর্যন্ত সেই যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়নি- যা এমন সুক্ষè ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি চালনি তৈরি করা সম্ভবও হয়, তবু কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে- যা তৈরি করা মানুষের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো কিডনির মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফয়সালা করে যে, মানুষটার শরীরে কতটুকু পানি রাখতে হবে আর কতটুকু বের করে দিতে হবে? কিডনির এই ফয়সালা শতভাগ সঠিক হয়। ফলে যদি কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে সক্ষমও হই, তবু এতে মস্তিষ্ক যুক্ত করতে পারবো না- যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রত্যেকটি মানুষের কিডনিতে দিয়ে রেখেছেন।’

সাড়ে তিন হাত শরীরের ভেতরই আল্লাহ্’র দেওয়া এ রকম হাজারো নিয়ামত আমরা বিনামুল্যে ভোগ করছি নিজেদের অজান্তেই। কোনোদিন কি এর জন্য শুকরিয়া আদায়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি? পানি পান ও নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি আরো গভীরভাবে উপলব্ধি করবেন- যখন সূরা জারিয়াতের ২০ ও ২১নং আয়াত পাঠ করবেন। সেখানে আল্লাহ্ বলেন : ‘বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?’

আল্লাহ্ আমাদের শরীরের নির্মাতা। অস্তিত্বের প্রমাণস্বরূপ কোথাও তাঁর নাম অঙ্কিত থাকার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই মেঘের ভাঁজে তাঁর নাম ফুটে উঠারও। তাঁর অস্তিত্বের প্রমাণ তো আমরাই!

Address

Maijdee Noakhali
Noakhali

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801710475949

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salman's Dine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Restaurant

Send a message to Salman's Dine:

Share

Category