Dina’s Delight

Dina’s Delight We are your trustedd catering partner for delicious frozen food, custom orders and healthy food options.

We prepare every dish with care, quality ingredients & a passion for good taste. From daily meals to special events you can depend on Dina’s Delight!

05/06/2026

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, যখন আপনি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে বলেন "আল্লাহু আকবার"...তখন আল্লাহ ঠিক কোথায় থাকেন?

এই প্রশ্নটা হয়তো কখনো মাথায় আসেনি।
অথবা এসেছে; কিন্তু উত্তর খোঁজার সাহস হয়নি।

কিন্তু চৌদ্দশত বছর আগে, এক সাহাবী এই প্রশ্নের উত্তর জেনেছিলেন। এবং সেই উত্তর শুনে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।

আজ সেই ঘটনাটি শেয়ার করবো।

একটি রাতের ঘটনা, মদিনার অলিতে গলিতে মদিনার রাত। চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে পথঘাট।

মসজিদে নববীতে তখনো প্রদীপ জ্বলছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর সাহাবীদের নিয়ে বসে আছেন।

সেদিন হযরত আবু যর গিফারী (রা.) রাসূলের ﷺ কাছে এসে বসলেন।

মনের ভেতর একটা প্রশ্ন অনেকদিন ধরে ঘুরছে।
লজ্জায় জিজ্ঞেস করতে পারছেন না। কিন্তু আজ আর থাকা গেল না।

আস্তে আস্তে বললেন,
"ইয়া রাসূলাল্লাহ... নামাজে যখন আমি দাঁড়াই... আল্লাহ তখন কোথায় থাকেন?"

মসজিদে একটু নীরবতা নামল। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর দিকে তাকালেন। সেই চোখে ছিল অসীম মায়া।

তারপর ধীরে ধীরে বললেন,
"আল্লাহ তা'আলা বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন যতক্ষণ সে নামাজে থাকে এবং অন্যদিকে মনোযোগ না দেয়।"
(সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১১৯৫)

আবু যর (রা.) কথাটা শুনলেন।
এক সেকেন্ড।
দুই সেকেন্ড।
তারপর হঠাৎ
তাঁর চোখে পানি
পা কাঁপতে শুরু করল।
বুকের ভেতর কী যেন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আল্লাহ... নামাজে... আমার দিকে মুখ করে থাকেন?

সেই মহান মণিব, যিনি সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিক;
যাঁর একটি "কুন" বলায় পৃথিবী, গ্রহ-নক্ষত্র সহ সকল কিছু সৃষ্টি হয়েছে তিনি... আমার মতো একজন সামান্য বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন?

এবং আমি... নামাজে দাঁড়িয়ে এদিক-ওদিক তাকাই?
মাথায় সংসারের চিন্তা ঘোরে? ব্যবসায়ের হিসাব করি?

এই ভাবনা এসে আঘাত করল বুকের মাঝখানে।
আর সেই আঘাত সহ্য করতে পারলেন না আবু যর (রা.)। তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন।

আল্লাহ কি সত্যিই এতটাই কাছে থাকেন? এটা কি শুধু একটা গল্প? না।

কুরআনে আল্লাহ নিজেই বলেছেন,
"আমি তোমার শাহরগ (গলার শিরা) থেকেও বেশি কাছে।"
(সূরা ক্বাফ: ১৬)

আরেক হাদিসে আছে, "বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায়, আমি তার সামনে থাকি। সে যদি ডানে তাকায়, আমিও তার ডানে। বামে তাকালে আমিও বামে। সরাসরি সামনে তাকালে আমি তার সামনে।"
(মুসনাদে আহমাদ)

একটু থামুন।

এই কথাটা আবার পড়ুন।
আল্লাহ আপনার সামনে থাকেন, নামাজে।
তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন।
আপনার ঠোঁটের নড়াচড়া দেখছেন।
আপনার চোখের পানি দেখছেন।
আপনার বুকের কান্না শুনছেন।

আমরা কি জানি, নামাজে কাকে পাচ্ছি?

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ একদিন বললেন,
"তোমরা কি জানো, নামাজে বান্দা কার সাথে কথা বলে?"

সাহাবীরা চুপ।
রাসূল ﷺ বললেন,
"সে তার রবের সাথে কথা বলে। তাই সে যেন ভালো করে ভাবে সে কীভাবে কথা বলছে।"
(মুস্তাদরাকে হাকিম)

ভাবুন একবার।

দুনিয়ার কোনো বড় নেতার সাথে দেখা হলে আমরা কতটা প্রস্তুতি নিই!
পোশাক ঠিক করি।
কথা গুছিয়ে নিই।
উনার কথায় মনোযোগ দিই।

কিন্তু....
আল্লাহর সাথে কথা বলার সময়, মন থাকে বাজারে আর নামাজের পর ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে।

আবু যর (রা.) অজ্ঞান হননি ভয়ে।
তিনি অজ্ঞান হয়েছিলেন লজ্জায়।
সারাজীবন নামাজ পড়েছেন।
কিন্তু কখনো ভাবেননি
এই নামাজে আল্লাহ নিজে সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এই ব্যাপারটি ভাবতেই তাঁর হৃদয় আর নিতে পারেনি।

আর আমরা?

আমরা প্রতিদিন পাঁচবার এই সুযোগ পাচ্ছি।
প্রতিদিন আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ করে অপেক্ষা করছেন।

এবং আমরা মোবাইল রেখে উঠি।
কোনরকম নামাজ শেষ করে উঠে যাই।
পুরো নামাজে মনোযোগ থাকে কার ব্যাপারে কি প্ল্যান, নিজের ব্যবসার হিসাব আর অফিসের মাসিক মিটিং-এ কি হবে!

শেষ কথা, আজকে থেকে নামাজটা একটু আলাদা হোক। আজ যখন নামাজে দাঁড়াবেন, একটু থামুন।
চোখ বন্ধ করুন।

মনে করুন, মহা মুনিব আল্লাহ এখন আপনার সামনে।
তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। তিনি সব শুনছেন।

শুধু এটুকু মনে রাখুন। দেখবেন আপনার চোখও ভিজে আসবে।
হয়তো আবু যর (রা.)-এর মতো না, কিন্তু বুকের ভেতর কিছু একটা নড়ে উঠবে।
সেটাই ঈমান। সেটাই নামাজের প্রাণ।

"যে ব্যক্তি এমনভাবে নামাজ পড়ে যেন সে আল্লাহকে দেখছে এটাই হলো ইহসান।"
(সহিহ মুসলিম; হাদিসে জিবরাঈল)

এই লেখাগুলো আপনি পড়ুন, আপনার স্ত্রী-সন্তান কিংবা ভাই-বোন অথবা বন্ধুকে পড়ে শুনান, হয়তো আজ থেকে আপনার নামাজ দীর্ঘ হবে, সিজদাহ্ যতো চাওয়া সব কবুল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

02/05/2026

সূরা ইয়াসিন পড়েন?

বেশিরভাগ মানুষ পড়েন — রোগীর পাশে। মৃত্যুর পর। জুমার দিন। বিশেষ মুনাজাতে।

কিন্তু একটা প্রশ্ন —

সূরা ইয়াসিন কি শুধু মৃত্যুর সূরা?

আমরা এটাকে শুধু মৃত্যু ও কবরের সূরা বানিয়ে ফেলেছি। কেউ মারা গেলে পড়ি। রোগী শেষ মুহূর্তে পড়ি। কবরের পাশে পড়ি।

অথচ নবীজি ﷺ একে বলেছেন — "কুরআনের হৃদয়।" (মুসনাদে আহমাদ, সুনানে দারিমি)

হৃদয় কি শুধু মৃত্যুর সময় কাজ করে? নাকি প্রতিটা মুহূর্তে?

সূরা ইয়াসিন জীবিতদের সূরা — যাদের হেদায়াত দরকার, রিজিক দরকার, তাকদীরে ভরসা দরকার, অসম্ভবকে সম্ভব করা দরকার।

আজ এই সূরার ৫টা আয়াতের দিকে তাকাবো — যেগুলো ৫টা জীবন্ত সমস্যার সমাধান দেয়, কিন্তু আমরা খেয়াল করি না।

সূরা ইয়াসিন মক্কী সূরা। আয়াত সংখ্যা ৮৩। নবীজি ﷺ বলেছেন — "সবকিছুর একটি হৃদয় আছে। কুরআনের হৃদয় হলো সূরা ইয়াসিন।" আর বলেছেন — "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে সূরা ইয়াসিন পড়বে, তার আগের গুনাহ মাফ করা হবে।" (বাইহাকি, শুআবুল ঈমান)

---

✅ আয়াত ১: হেদায়াতের সমস্যা — যখন পথ হারিয়ে যাচ্ছেন

সন্তান নামাজ পড়ে না। স্বামী দ্বীন মানে না। বন্ধু হারাম কাজে জড়িয়ে গেছে। নিজেও কখনো কখনো পথ হারিয়ে ফেলেন — গুনাহ করে ফেলেন, তাওবা করেন, আবার করেন।

সূরা ইয়াসিনের শুরুতেই আল্লাহ বলেছেন —

إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ ○ عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

উচ্চারণ: ইন্নাকা লামিনাল মুরসালীন, আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।

"নিশ্চয়ই আপনি রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত। সরল পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত।"
(সূরা ইয়াসিন: ৩-৪)

তারপর আল্লাহ বলেছেন — এই কুরআন নাযিল হয়েছে "লিতুনযিরা কাওমান" — এমন একটি জাতিকে সতর্ক করতে যাদের পূর্বপুরুষদের সতর্ক করা হয়নি, তাই তারা গাফেল। (সূরা ইয়াসিন: ৬)

এই আয়াত কী শেখায়?

হেদায়াতের উৎস কুরআন। পথ হারালে ফিরে আসার জায়গা কুরআন। সন্তান পথ হারাচ্ছে? কুরআনের কাছে আনুন। নিজে পথ হারাচ্ছেন? কুরআন খুলুন।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — হেদায়াত আল্লাহর হাতে। আপনি চেষ্টা করবেন, দোয়া করবেন, কিন্তু হেদায়াত দেবেন আল্লাহ। তাই সেজদায় গিয়ে বলুন — "ইয়া আল্লাহ, আমাকে ও আমার পরিবারকে সিরাতাল মুস্তাকীমে রাখুন।"

---

✅ আয়াত ২: মৃত্যু-পরবর্তী সন্দেহ — "মরার পর কি সত্যিই উঠবো?"

অনেকের মনে এই প্রশ্ন আসে — না বললেও ভেতরে ভেতরে সন্দেহ থাকে। "সত্যিই কি কবর থেকে উঠবো? সত্যিই কি হিসাব হবে?"

সূরা ইয়াসিনে আল্লাহ সরাসরি উত্তর দিয়েছেন —

وَضَرَبَ لَنَا مَثَلًا وَنَسِيَ خَلْقَهُ ۖ قَالَ مَن يُحْيِي الْعِظَامَ وَهِيَ رَمِيمٌ ○ قُلْ يُحْيِيهَا الَّذِي أَنشَأَهَا أَوَّلَ مَرَّةٍ

উচ্চারণ: ওয়া দারাবা লানা মাসালান ওয়া নাসিয়া খালকাহ, কালা মাইয়্যুহয়িল ইযামা ওয়া হিয়া রামীম। কুল ইউহয়ীহাল্লাযি আনশাআহা আওয়্যালা মাররাহ।

"সে আমার সম্পর্কে উপমা দেয় অথচ নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে — পচা হাড়কে কে জীবিত করবে? বলুন — তিনিই জীবিত করবেন যিনি এটা প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন।"
(সূরা ইয়াসিন: ৭৮-৭৯)

কত সহজ যুক্তি! যিনি শূন্য থেকে বানিয়েছেন — তিনি কি আবার বানাতে পারবেন না?

এই আয়াত কী শেখায়?

আখিরাত সত্য। পুনরুত্থান সত্য। হিসাব সত্য। আর এই বিশ্বাস মজবুত থাকলে — গুনাহ থেকে বাঁচা সহজ হয়। কারণ জানেন — একদিন দাঁড়াতে হবে।

যখন ঈমানে দুর্বলতা লাগে, আখিরাত নিয়ে সন্দেহ আসে — সূরা ইয়াসিনের এই আয়াত পড়ুন। আল্লাহ নিজে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছেন।

---

✅ আয়াত ৩: রিজিকের সংকট — "আল্লাহ কীভাবে রিজিক দেন?"

রিজিকের চিন্তা সবার আছে। চাকরি নেই। ব্যবসায় লস। মাসের মাঝেই টাকা শেষ।

সূরা ইয়াসিনে আল্লাহ রিজিকের নিদর্শন দেখিয়েছেন —

وَآيَةٌ لَّهُمُ الْأَرْضُ الْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَاهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ

উচ্চারণ: ওয়া আয়াতুল লাহুমুল আরদুল মাইতাতু আহয়াইনাহা ওয়া আখরাজনা মিনহা হাব্বান ফামিনহু ইয়াকুলুন।

"তাদের জন্য একটি নিদর্শন হলো মৃত জমিন — আমি তাকে জীবিত করি এবং তা থেকে শস্য বের করি — তা থেকেই তারা খায়।"
(সূরা ইয়াসিন: ৩৩)

মৃত জমিন। শুকনো। ফাটা। কিছু নেই। আল্লাহ বৃষ্টি দেন — সবুজ হয়ে যায়। ফসল ফলে। ফল আসে। খেজুর, আঙুর, জলপাই।

এই আয়াত কী শেখায়?

আপনার জীবনও কি এখন "মৃত জমিনের" মতো? রিজিক নেই, কাজ নেই, আশা নেই? আল্লাহ মৃত জমিনকে জীবিত করেন — আপনার রিজিকের "মৃত জমিনও" জীবিত করতে পারেন।

তারপর আল্লাহ বলেছেন — "ওয়া জাআলনা ফিহা জান্নাতিম মিন নাখিলিন ওয়া আনাব" — সেখানে খেজুর ও আঙুরের বাগান বানিয়েছি। আর ঝর্ণা প্রবাহিত করেছি। (সূরা ইয়াসিন: ৩৪)

শুকনো জমিনে বাগান? ঝর্ণা? এটা আল্লাহর ক্ষমতা। আপনার শুকনো জীবনেও আল্লাহ বাগান ফোটাতে পারেন।

---

✅ আয়াত ৪: তাকদীরের চিন্তা — "সব কি আগে থেকে লেখা?"

"আমার ভাগ্যে কিছু নেই।" "আমি হতভাগ্য।" "অন্যরা পায়, আমি পাই না।"

তাকদীর নিয়ে হতাশা — অনেকের মনে।

সূরা ইয়াসিনে আল্লাহ বলেছেন —

وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ فِي إِمَامٍ مُّبِينٍ

উচ্চারণ: ওয়া কুল্লা শাইইন আহসাইনাহু ফি ইমামিম মুবীন।

"সবকিছু আমি সুস্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষণ করে রেখেছি।"
(সূরা ইয়াসিন: ১২)

সবকিছু লেখা আছে। কিন্তু "লেখা আছে" মানে "পরিবর্তন হবে না" — এটা ভুল বোঝাবুঝি।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "দোয়া তাকদীর পরিবর্তন করে।" (জামে তিরমিযী: ২১৩৯)

আর নবীজি ﷺ বলেছেন — "আত্মীয়তা রক্ষায় হায়াত বাড়ে ও রিজিক প্রশস্ত হয়।" (সহীহ বুখারী: ৫৯৮৫)

মানে তাকদীর আছে — কিন্তু দোয়া, আমল, সদাকাহ, আত্মীয়তা — এগুলো তাকদীরকে প্রভাবিত করে।

এই আয়াত কী শেখায়?

হতাশ হবেন না। "আমার ভাগ্যে নেই" বলে বসে থাকবেন না। আল্লাহর পরিকল্পনায় ভরসা রাখুন — কিন্তু চেষ্টা ও দোয়া চালিয়ে যান। আল্লাহ সবকিছু জানেন — আর তিনি সবচেয়ে ভালো পরিকল্পনাকারী।

---

✅ আয়াত ৫: "কুন ফাইয়াকুন" — যখন মনে হয় অসম্ভব

এটা সূরা ইয়াসিনের সবচেয়ে শক্তিশালী আয়াত। পুরো কুরআনের সবচেয়ে শক্তিশালী আয়াতগুলোর একটা —

إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ

উচ্চারণ: ইন্নামা আমরুহু ইযা আরাদা শাইআন আইয়্যাকুলা লাহু কুন ফাইয়াকুন।

"তাঁর ব্যাপার শুধু এই — তিনি যখন কিছু চান, তখন বলেন 'হও' — আর তা হয়ে যায়।"
(সূরা ইয়াসিন: ৮২)

"কুন" — হও। "ফাইয়াকুন" — হয়ে যায়।

মাঝখানে কোনো সময় লাগে না। কোনো প্রক্রিয়া লাগে না। কোনো মাধ্যম লাগে না। আল্লাহ বলেন "কুন" — হয়ে যায়।

সন্তান হওয়া অসম্ভব? আল্লাহ বলেন "কুন" — হয়ে যায়। যাকারিয়া (আ.)-এর জীবনে হয়েছে।

রোগ সারা অসম্ভব? আল্লাহ বলেন "কুন" — হয়ে যায়। আইয়ুব (আ.)-এর জীবনে হয়েছে।

চাকরি পাওয়া অসম্ভব? আল্লাহ বলেন "কুন" — হয়ে যায়। মুসা (আ.) শূন্য থেকে সব পেয়েছেন।

আগুনে বেঁচে থাকা অসম্ভব? আল্লাহ বলেন "কুন" — আগুন ঠান্ডা হয়ে যায়। ইবরাহীম (আ.)-এর জীবনে হয়েছে।

এই আয়াত কী শেখায়?

আপনার "অসম্ভব" আল্লাহর কাছে "কুন।" শুধু একটা শব্দ। আর হয়ে যায়।

তাই "অসম্ভব" শব্দটা অভিধান থেকে মুছে ফেলুন। আল্লাহর অভিধানে এই শব্দ নেই।

---

✅ ৫টা আয়াত — এক নজরে

▪️হেদায়াত হারাচ্ছেন? — সূরা ইয়াসিন ৩-৪: সিরাতাল মুস্তাকীমের ওপর ফিরে আসুন।

▪️আখিরাতে সন্দেহ? — সূরা ইয়াসিন ৭৮-৭৯: যিনি প্রথমবার বানিয়েছেন, তিনি আবার বানাবেন।

▪️রিজিকের সংকট? — সূরা ইয়াসিন ৩৩: মৃত জমিনকে জীবিত করেন, আপনার রিজিকও দেবেন।

▪️তাকদীরে হতাশ? — সূরা ইয়াসিন ১২: সবকিছু লেখা আছে, কিন্তু দোয়া তাকদীর বদলায়।

▪️অসম্ভব মনে হচ্ছে? — সূরা ইয়াসিন ৮২: "কুন ফাইয়াকুন" — আল্লাহ বলেন "হও", হয়ে যায়।

৫টা আয়াত। ৫টা সমস্যা। ৫টা সমাধান। আর সবগুলো একটা সূরায় — যে সূরাকে নবীজি ﷺ বলেছেন "কুরআনের হৃদয়।"

আমরা এই সূরা শুধু মৃত্যুর সময় পড়ি। কিন্তু এই সূরা জীবনের সূরা। হেদায়াতের সূরা। রিজিকের সূরা। ভরসার সূরা। "কুন ফাইয়াকুন"-এর সূরা।

মনে রাখবেন!

সূরা ইয়াসিনকে আমরা মৃত্যুর সূরা বানিয়ে ফেলেছি। অথচ এটা কুরআনের হৃদয়। হৃদয় কি শুধু মৃত্যুর সময় কাজ করে?

হৃদয় প্রতিটা মুহূর্তে কাজ করে। ঠিক তেমনি সূরা ইয়াসিন প্রতিটা সমস্যায় কাজ করে।

পথ হারিয়েছেন? সূরা ইয়াসিন পথ দেখাবে।
আখিরাতে সন্দেহ? সূরা ইয়াসিন ঈমান মজবুত করবে।
রিজিক নেই? সূরা ইয়াসিন আশা জোগাবে।
তাকদীরে হতাশ? সূরা ইয়াসিন ভরসা দেবে।
অসম্ভব মনে হচ্ছে? সূরা ইয়াসিন বলবে — "কুন ফাইয়াকুন।"

আজ থেকে সূরা ইয়াসিন শুধু মৃত্যুর জন্য রাখবেন না। জীবনের জন্য পড়ুন। বুঝে পড়ুন। আমল করুন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সূরা ইয়াসিন বুঝে পড়ার, এর শিক্ষায় আমল করার, হেদায়াতে অটল থাকার, রিজিকে ভরসা রাখার, তাকদীরে সন্তুষ্ট থাকার, আর "কুন ফাইয়াকুন"-এর রবের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার তাওফিক দিন। আমিন।

সূরা ইয়াসিনের কোন আয়াতটা আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি দরকার?
কমেন্টে নম্বর লিখুন — ১/২/৩/৪/৫

রেফারেন্স:
— সূরা ইয়াসিন: ৩-৪, ৬, ১২, ৩৩-৩৪, ৭৮-৭৯, ৮২
— সহীহ বুখারী: ৫৯৮৫
— জামে তিরমিযী: ২১৩৯
— মুসনাদে আহমাদ
— সুনানে দারিমি
— বাইহাকি, শুআবুল ঈমান
(সংগ্রহীত)

26/01/2026
🌙শবেবরাত এসেছে, এই পবিত্র রাতে শান্তি, প্রার্থনা আর মিষ্টির স্বাদ একসাথে উপভোগ করার সময়। 💛এই রাতটা আরো বিশেষ করুন Dina's...
26/01/2026

🌙শবেবরাত এসেছে, এই পবিত্র রাতে শান্তি, প্রার্থনা আর মিষ্টির স্বাদ একসাথে উপভোগ করার সময়। 💛এই রাতটা আরো বিশেষ করুন Dina's Delight এর হোমমেড হালুয়া দিয়ে।

শবেবরাতের মেন্যু:-

চালের আটার রুটি ১০ পিস ১৫০৳
ছিটা রুটি ১০ পিস ১৫০৳
বুটের ডালের হালুয়া কেজি ১২০০৳
গাজরের শাহী হালুয়া কেজি ১১০০৳
Dina's delight স্পেশাল ডিমের বরফি কেজি ১১৫০৳
বোম্বে করাচি হালুয়া কেজি ১০৫০৳
পেঁপের হালুয়া কেজি ৯০০৳
সুজির হালুয়া কেজি ৯৫০৳
বেশনের হালুয়া কেজি ১০৫০৳
ডিমের মিহিদানা হালুয়া কেজি ৯০০৳
শাহী জর্দ্দা কেজি ১০৫০৳
মালাই জর্দ্দা কেজি ১২০০৳
ক্যারামেল পুডিং ৬০০৳(৬০০গ্রাম+)
(হালুয়া সম্পূর্ণ খাঁটি ঘি এতৈরি)
হালুয়া কেজি,০.৫ কেজি,২৫০ গ্রাম হিসেবে ও নেওয়া যাবে।
চাইলে কাস্টমাইজড করে ও হালুয়া /তেহারি বা অন্যান্য আইটেম ও নেওয়া যাবে।
২.২.২৬ পর্যন্ত অর্ডার নেওয়া হবে। অর্ডার করতে ইনবক্স বা কল করুন 01720384584/ 01643599952 এই নাম্বারে☎️ ধন্যবাদ।

Alhamdulillah…..:Another order done…. ’sdelight
21/01/2026

Alhamdulillah…..:Another order done….

’sdelight



19/01/2026

"বুক ফেটে যায় যখন নিজের কলিজার টুকরো সন্তানটিই রুক্ষ ভাষায় কথা বলে!" 💔😭

​গল্পটি আপনার বা আমার—হয়তো প্রতিটি ঘরের! 🏠

​এক বিকেলে মা ড্রয়িংরুমে বসে ছিলেন। সামনে বসে দশ বছরের ছেলেটি মোবাইলে গেম খেলছে। মা খুব মায়াভরা কণ্ঠে ডাক দিলেন, "বাবা, অনেকক্ষণ তো হলো, এবার একটু পড়তে বসবে?" ছেলের উত্তরটা ছিল বিষের মতো! সে তেড়ে এসে চেঁচিয়ে বলল, "তোমাকে কতবার বলেছি আমাকে ডিস্টার্ব করবে না! সব সময় কেন প্যানপ্যান করো? বিরক্ত কোরো না তো!"

মা পাথর হয়ে গেলেন। কলিজার টুকরো সন্তানের মুখে এমন ভাষা? যে সন্তানকে তিল তিল করে বড় করেছেন, যার একটু অসুখে সারারাত নির্ঘুম কাটিয়েছেন, আজ তার চোখেই কি মা এতোটা সস্তা? মা নিঃশব্দে চোখের জল মুছলেন।

​আসলে আমরা ভাবি সমস্যাটা শুধু সন্তানের। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, আমাদের অজান্তেই ঘরের অশান্তি, ভুল আচরণ বা কোনো অভাব আমাদের সন্তানদের হৃদয়কে শক্ত করে দিচ্ছে? আমাদের সন্তানদের ভাষা কি কেবল শাসন দিয়ে ঠিক করা সম্ভব?

​না! এই পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন আল্লাহর বিশেষ সাহায্য এবং কুরআনি আমল।

​সন্তানের আচরণে নম্রতা ও আদব ফেরাতে ৩টি শক্তিশালী কুরআনি আমল: ✨

​আপনার সন্তান যদি অবাধ্য হয় কিংবা তার ব্যবহার রুক্ষ হয়ে যায়, তবে আজ থেকেই এই তিনটি আমল শুরু করুন:

💚​১. চোখের শীতলতা পাওয়ার আমল (সূরা আল-ফুরকান: ৭৪)

সন্তানকে আদর্শ ও নেককার বানাতে এই দোয়াটি শ্রেষ্ঠ। প্রতিটি ফরজ নামাজের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত ৩ বার আল্লাহর প্রতি আনুগত্য নিয়ে পড়ুন।

​দোয়া: رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউনিওঁ ওয়াজ’আলনা লিল-মুত্তাকীনা ইমামা।

অর্থ: "হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন এবং আমাদের মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।"

💚​২. অন্তরকে নরম ও বক্রতা দূর করার আমল (সূরা আলে ইমরান: ৮)

সন্তান যদি জেদি হয় বা অবাধ্য হয়ে যায়, তবে তার মাথায় হাত রেখে বা তার খাবারের ওপর ফু দিয়ে এই আয়াতটি পাঠ করুন। এটি অন্তরকে হেদায়েতের ওপর অটল রাখে।

​দোয়া: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ হَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنكَ رَحْمَةً

উচ্চারণ: রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাব লানা মিল্লাদুনকা রহমাহ।

অর্থ: "হে আমাদের রব! আমাদের সঠিক পথ দেখানোর পর আমাদের অন্তরকে বাঁকা করে দিও না এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের রহমত দান করো।"

💚​৩. নিজের ও সন্তানের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আমল (সূরা আল-আরাফ: ২৩)

সন্তান অবাধ্য হওয়ার পেছনে অনেক সময় মা-বাবার কোনো গুনাহ বা ত্রুটি থাকতে পারে। তাই আল্লাহর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করুন।

​দোয়া: رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْফِرْ لَنَا وَতَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَال خَاسِرِينَ

উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খাসিরীন।

অর্থ: "হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি, আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।"

​মা-বাবাদের প্রতি একটি ছোট অনুরোধ:

আপনার সন্তান যখন ভুল করবে, তখন তাকে শাসনের চেয়ে বেশি দোয়া দিন। কারণ মা-বাবার দোয়া কোনো পর্দা ছাড়াই আল্লাহর আরশে পৌঁছে যায়। 🌿

​Collected

It’s Coffee time….
09/01/2026

It’s Coffee time….

Address

Niketon
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dina’s Delight posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share