02/04/2026
শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ডের রায় বাতিল চেয়ে আইনি নোটিশ।
মৃত্যুদণ্ডের সাজা খারিজের দাবি জানিয়ে ঢাকার বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে (bangladesh international crimes tribunal) আইনি নোটিশ ধরালেন শেখ হাসিনা (Sheikh hasina)। তাঁর হয়ে লন্ডনের একটি আইন সংস্থা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে গত সোমবার এই নোটিশ পাঠিয়েছে। বুধবার ট্রাইব্যুনালের হাতে সেই নোটিশ পৌঁছেছে।
নোটিশে শেখ হাসিনা তাঁর বিচারকে সম্পূর্ণ প্রহসন এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে বর্ণনা করেছেন। সেই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালকে বলেছেন ভবিষ্যতে কোন মামলায় তাঁর বিচারে যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়।
শেখ হাসিনার আইনি চিঠি এমন সময় ট্রাইব্যুনালের হাতে পৌঁছেছে যখন জাতিসংঘ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পাঠানো হলেও জবাব দিতে হবে তারেক রহমানের সরকারকে। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিডিউটারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জামায়াতে ইসলামী ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আইনজীবী তাজুল ইসলামকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের আইনমন্ত্রী। তারেক রহমানের সরকার প্রথম থেকেই বলে এসেছে শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লিগ নেতাদের বিচারের বিষয়ে সরকার আইনের পথে চলবে। এখন দেখার বাংলাদেশে পালাবদলের পর নির্বাচিত সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার আইনি নোটিশ নিয়ে কী পদক্ষেপ করে।
আইনি নোটিশে লন্ডনের আইনি সংস্থা কিংকসলে নেপলি লিখেছে
১. আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের (Bangladesh) সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লিগের (Awami League) সভাপতি শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পক্ষে কাজ করছি।
২. আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আপত্তি জানাচ্ছি, যার ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচার ও দণ্ড প্রদান করেছে। শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে বিচার ও দণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচার ও যথাযথ প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মৌলিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে তাঁর মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে। এই পত্রটি বর্তমান প্রক্রিয়ার বৈধতা স্বীকার বা মেনে নেওয়া হিসেবে গণ্য হবে না।