বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে নান্না বিরিয়ানি
প্রায় ৬০ বছরের কাছাকাছি সময় ধরে নান্নার বিরিয়ানি বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। পুরান ঢাকার বাসিন্দা নান্না মিয়া ১৯৬৩ সালের শুরুর দিকে ঘরোয়া পরিবেশে বিরিয়ানির ব্যবসা শুরু করেন। দিনকে দিন মানুষের কাছে তার বিরিয়ানি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর পরই চিন্তা করেন তার ব্যবসাকে প্রসারিত করবেন। তিনি ১৯৭৩-৭৪ সালে মৌলভীবাজারের বেচারাম দেউড়ীতে এর প্রধান শাখা খুলে ব্যবসাকে
একটু বড় রূপ দেন। ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নয়, বরং চাপে পড়েই তিনি বেচারাম দেউড়ীতে নান্নার বিরিয়ানির প্রধান শাখা
এখানে মোরগ পোলাওয়ের পাশাপাশি রয়েছে খাসির কাচ্চি, খাসির বিরিয়ানি, গরুর তেহারি এবং গরুর মাংসের চাপ পোলাও । তবে এখানে খেতে আসা মানুষের মুখে জানা যায়, এখানকার মোরগ পোলাওয়ের ঝোলের স্বাদ এক কথায় অতুলনীয়। তবে দিন তারিখ ভেদে নান্না বিরিয়ানির বিশেষ কিছু আকর্ষণ রয়েছে । এই আকর্ষণ হচ্ছে একটি ভিন্ন আইটেম, যা প্রতি মাসে বা সপ্তাহে একবার পাওয়া যায়।আমাদের মূল আকর্ষণ হচ্ছে আস্ত মুরগির কাচ্চি যা প্রতি মাসের ৫ তারিখে পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতি মাসের ২০ তারিখ উটের কাচ্চি এবং প্রতি শুক্রবার বাসমতী চালের স্পেশাল কাচ্চি পাওয়া যায় । তবে অগ্রিম অর্ডারের ভিত্তিতে যে কোন আইটেম যে কোন দিন সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
অন্যান্য আইটেম হিসেবে এখানে আছে ফিরনি, বোরহানি, আলু বোখাড়ার চাটনি ,জালি কাবাব। তাছাড়া দেশীয় প্রায় সব কোল্ড সফট ড্রিংকস তো আছেই।