30/12/2024
করোসল ফল /পাতা কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী। অথচ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। করোসল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম অ্যানোনা মিউরিকাটা। করোসল অ্যানোনা মিউরিকাটা গোত্রের একটি ফল যা অনেক ক্ষেত্রেই ক্যামোথেরাপির কাজ করে থাকে। ক্যানসার প্রতিষেধক হিসেবে এ ফলের পক্ষে বিশেষজ্ঞদের বহুবিদ মতামত পাওয়া যায়। অনেক দেশেই এ ফলটি ক্যানসার প্রতিরোধক ফল হিসেবে পরিচিত। শুধু ফলই নয়, এই গাছের ছাল ও পাতায় লিভার সমস্যা, আর্থরাইটিস ও প্রস্টেটের সমস্যায়ও নিরাময় হয়ে যায়।ফলটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ রয়েছে। বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ করোসল ফল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি এন্টিক্যান্সার ফল হিসেবে বিবেচিত। অসমর্থিত সূত্র আরো বলছে, ক্যান্সার রোধে করোসল বা টক আতার উপকারিতা পৃথিবীর বহু দেশেই প্রমাণিত।এই করোসল ফল ও করোসল গাছের পাতার রস খেলে ক্যান্সাররোগীর কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয় না। এই ফল ও পাতার রস ক্যান্সার সেলের মৃত্যু ঘটাতে কেমোথেরাপির চেয়ে এটি ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। করোসল গাছে রয়েছে অ্যানোনাসিয়াস অ্যাস্টোজেনিন নামে এক ধরনের যৌগ। এই যৌগ ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধিরুখে দেয়, যা কেমোথেরাপি করে।পাতা খাওয়ার নিয়ম:::প্রতিদিন সকালে+ সন্ধ্যায় ৩ টা করে কাঁচাপাতা ভালো করে ধুয়ে রস করে খালি পেটে খাইতে হবে।খাওয়ার পরে মিনিমাম ২ ঘন্টা কিছু খাইতে পারবে না।ফল খাওয়ার নিয়ম :সকাল +দুপুর+ রাতে খালি পেটে ১ দিনে মিনিমাম ৫০০ গ্রাম ফল খেতে হবে। খাওয়ার পরে মিনিমাম ১ ঘন্টা থেকে দেড় ঘন্টা কিছুই খেতে পারবেন না। বি:দ্র:= কাঁচা পাতার রস না খাইতে পারলে ৩ টা করে পাতা ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট করে ছিড়ে ২৫০ গ্রাম পানির সাথে চায়ের মতো করে সিদ্ধ করতে হবে।পানির পরিমান যখন ১০০/১৫০ গ্রামের মতো হবে তখন এটা ঠান্ডা করে ছাকনি দিয়ে ছেকে খাইতে হবে খালি পেটে।জুস: আমরা নিয়ে এসেছি করসোল ফলের জুস।এটাও ফল ও পাতার মতো কার্যকরী। যোগাযোগের ঠিকানা :::হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ,ঢাকা। মাহাতাব তেল পাম্পের অপজিটে। মাহাদি নগর ৬ নাম্বার রোড।মাহাদীনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে।মোবাইল নাম্বার ::01933773311Whatsapp number :::01775565050. #করসোলফল