08/08/2026
সম্প্রতি 'চুয়েট নিউজ ২৪' এ আমাদের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়াকে নিয়ে প্রকাশিত নিউজের পরিপ্রেক্ষিতে এই বার্তাটি দিচ্ছি।
আমরা অতীতের ব্যাপারে শুনেছি এবং জেনেছি, তবে আমরা এখানে অতীতের মতো একচেটিয়া কোনো ব্যবসা করতে আসিনি। তাই আমরা আমাদের রেস্টুরেন্টের নাম কোথাও উল্লেখ করিনি, আমরা চাই এই স্থানটি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব অঙ্গন হিসেবেই থাকুক।
ব্যবসায়িক দিক বিবেচনা করলে, আমরা এমন কোনো ব্যবসা করতে চাই না যা আমাদের সুনাম নষ্ট করে। আমাদের কিচেন রুমটা সবসময় সিসি ক্যামেরার সার্ভেলেন্সে থাকে এবং আমাদের নিজস্ব একটি টিম সবসময় এগুলো মনিটর করে থাকে।
আমাদের সকালে পরিবেশিত সবজি আগের রাতে তৈরি হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়। সকাল ৭টায় প্রায় ৫০০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য রান্না করা ভোরে গ্যাস সংকটের কারণে সম্ভব হয় না। তাই আমরা রাতে সবজিটি হাফ কুক করে রাখি, যাতে সকালে এটি পুরোপুরি রান্না করে পরিবেশন করা যায়। এতে খাবারের স্বাদ ও মান বজায় থাকে।
পাশাপাশি, গরম খাবার কিছুক্ষণ খোলা রাখার কারণ হলো ভাপ বের করে ঠান্ডা করা, যাতে খাবার নষ্ট না হয়ে যায় এবং স্বাস্থ্যসম্মত থাকে।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, যে খাবারটির ছবি তুলে দেওয়া হয়েছে, সেই খাবারটি আমরা নিজেরাও ব্রেকফাস্টে খেয়ে থাকি। যদি এমন হতো বাসি গলা বা এরকম খাবার, তাহলে তো অন্তত আমরা এটা খেতাম না।
এছাড়া, বেঁচে যাওয়া খাবার অপসারণের জন্য প্রতি নিয়তই আমরা নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে থাকি, তাই আগের দিনের বাসি খাবার পরের দিন পরিবেশনের কোনো সুযোগই নেই।
প্রথম দিন থেকে আমরা আপনাদের সাপোর্ট পেয়ে এসেছি। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের বেস্টটা দেওয়ার। আমরা কখনোই বলবো না আমরা ১০০ তে ১০০। শিক্ষার্থীদের কিছু অভিযোগ থাকলেও, আমরা নিউজে উল্লেখিত কোনো অভিযোগ পাইনি যা সত্য। তবে, একটি অভিযোগ এসেছিল আমাদের ডালে তেলাপোকা পাওয়ার এবং তা সঙ্গে সঙ্গেই আমরা পরিষ্কার করেছি যে সেটি আসলে একটি বড় এলাচ ছিল। আর আমাদের কিচেনে কি অবস্থা তা সার্বক্ষণিক ক্যাশ কাউন্টারের মনিটরে সম্প্রচারিত হয়। আপনাদের কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা বা কনফিউশন থাকলে সরাসরি এসে আমাদেরকে বলবেন, আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। এমনকি, এ সপ্তাহ থেকেই আমাদের ক্যাশ কাউন্টারের কাছে একটি কমপ্লেইন বক্স রাখা হচ্ছে, যেখানে আপনারা মালিক বরাবর আপনাদের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।